| 04/19/2011 3:07 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার তদন্ত
প্রতিবেদন 'যৌক্তিক' সময়ে প্রকাশ চায় হাইকোর্ট
ঢাকা, এপ্রিল ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন 'যৌক্তিক' সময়ের মধ্যে প্রকাশ করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
একটি রিট আবেদনে বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এএনএম বশিরউল্লাহর বেঞ্চ মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেয়।
তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দোষীদের গ্রেপ্তারসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আদেশ চেয়ে সোমবার এ রিট আবেদন করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।
যৌক্তিক সময় বলতে আদালত কী বোঝাতে চেয়েছে- জানতে চাইলে সংগঠনের কৌঁসুলি মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, "৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ না হলে আমরা আবার আদালতে যাবো।"
সংগঠনটির পক্ষে অ্যাডভোকেট মোরসেদ গত ১২ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন।
পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না- এ তিনটি রুল জারি করতে হাইকোর্টে আবেদন করা রিট আবেদনে।
হাইকোর্ট রুল জারি করে আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।
দরের ব্যাপক উত্থান এবং পতনের মধ্যে দিয়ে গত বছরের শেষ ভাগে অস্থির হয়ে ওঠে পুঁজিবাজার। প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাংচুরও করে বিনিয়োগকারীরা।
এই পরিস্থিতিতে সরকার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ৭ এপ্রিল সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়। এ তদন্ত প্রতিবেদন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও তা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ইতোমধ্যে চলে এসেছে।
|
|
|
| 04/19/2011 3:10 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | যৌক্তিক সময়ের মধ্যে শেয়ার কেলেংকারির তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ
ঢাকা, ১৯ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সাথে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ও বেআইনী ঘোষণা করা হবে না, তার কারণ জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া কারসাজির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তারও কারণ জানতে চেয়েছে আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এসবের কারণ জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছে আদালত।
একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন ।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এ- পীস ফর বাংলাদেশের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের ৫ আইনজীবী সোমবার রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
রিটে দুই দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ, জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং সাত দিনের মধ্যে কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া তদন্তে যাদের নাম এসেছে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশও চাওয়া হয়েছে আবেদনে।
একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লি্লষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বে-আইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না- এ তিনটি রুল জারি করতে রিটে আবেদন করা হয়েছে।
রিটে সরকারের পক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সচিব, সিকিউরিটিজ এণ্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএমপি কমিশনার এবং মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিবাদি করা হয়েছে।
এর আগে ৭ দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে গত ১২ এপ্রিল সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশে একই সাথে শেয়ার কেলেংকারীর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় রিট দায়ের করা হয়।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধ্বসের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। |
|
|
| 04/19/2011 8:29 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
শেয়ারবাজারে কারসাজি
গ্রহণযোগ্য সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে হাইকোর্টের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০৪-২০১১
পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য সময়ে প্রকাশ করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই প্রতিবেদন প্রকাশে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও আদালত জানতে চেয়েছেন।
আজ বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে কারসাজির ঘটনায় প্রতিবেদনে চিহ্নিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা আদালত জানতে চেয়েছেন। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ার হোল্ডারদের অর্থ তাঁদের অ্যাকাউন্টে কেন ফেরত দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ গতকাল সোমবার জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দাখিল করে। রিটে মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। |
|
|
| 04/19/2011 8:34 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ার কারসাজি: গ্রহণযোগ্য সময়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ, ৪ সপ্তাহের রুল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজার কারসাজির ঘটনায় সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন একটি গ্রহণযোগ্য সময়ের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে প্রতিবেদন প্রকাশে নিস্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল জারি করা হয়েছে।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর নির্বাহী পরিচালক, ডিএমপি কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসিকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং শেয়ারবাজার কারসাজির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না মর্মেও রুল জারি করেছেন আদালত ।
সোমবার জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইট অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ এর পক্ষে ৫ জন আইনজীবী একটি রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত এসব আদেশ দেন।
রিট আবেদনকারীরা হচ্ছেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আখলাস উদ্দিন ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম।
এর আগে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গত ১২ এপ্রিল ৭ দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে শেয়ার কেলেংকারির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করা হয়েছিলো। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন প্রকাশের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করে প্রতিষ্ঠানটি।
রিটকারীদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গৌতম রায় মঙ্গবারের শুনানিতে অংশ নেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৪০৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৯, ২০১১ |
|
|
| 04/19/2011 8:35 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ॥ তিন ইস্যু নিয়ে সংকট
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজার কেলেংকারীর তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সংশয়ে রয়েছেন। বাজার সংশ্লিষ্ট তিন ইস্যুর সংকটও কাটছে না।
প্রথমত: বুকবিল্ডিং সংস্কার না হওয়ায় ১৫ কোম্পানির বাজারে আসার পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। দ্বিতীয়ত: অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারছে না এসইসি। তৃতীয়ত: তদন্ত রিপোর্ট নিয়েও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তি কাটছে না।
শেয়ারবাজার কেলেংকারী অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল রিপোর্ট অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করে। এরপর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সরকারিভাবে এ রিপোর্ট এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তাই রিপোর্টের তথ্যের গ্রহযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তদন্ত রিপোর্টের বরাত দিয়ে কয়েকজন শীর্ষ ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ হয়ে পড়েছে। ফলে শেয়ার ব্যবসায় জড়িত একটি শক্তিশালী মহল রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
সরকার ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরিয়ে নিতে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্তরা নানা কৌশলে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাতে শুরু করেছে। এতে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ১৫ কোম্পানি বাজারে আসার জন্য দেশে রোড শো হয়েছে। কোম্পানিগুলো নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা সত্ত্বেও আইন সংস্কার না হওয়ায় বাজারে আসতে পারছে না। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে বাজারে আসার অভিযোগে গত ১৯ জানুয়ারি এই পদ্ধতিটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।
পরে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ ও ২৮ মার্চ এসইসিতে দুই দফা বৈঠক হয়। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিয়ে মতামত দিতে বলা হয়। কিন্তু বিএপিএলসির সভাপতি সালমান এফ রহমানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নেতারা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশের পর তাদের মতামত দেবেন বলে জানান। এতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার ঝুলে যায়।
এরই মধ্যে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে মতামতদানকারী সালমান এফ রহমানসহ একাধিক ব্যক্তির নামে অভিযোগ উঠেছে। সেক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারে তাদের মতামত কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। ফলে সরকারিভাবে এ রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে কোনো সমাধানে যেতে পারছে না এসইসি। এতে বাজারে শেয়ার সরবারাহ স্থবির হয়ে পড়েছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের অপেক্ষায় ঝুলে থাকা কোম্পানিগুলো হলো -জিএমজি এয়ারলাইন্স, গোল্ডেন হারভেস্ট, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড সিøপওয়েজ লিমিটেড, অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস, সামিট শিপিং লিমিটেড, কেওয়াইসিআর কয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, কেয়া কটন মিলস, নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড, লঙ্কা-বাংলা সিকিউরিটিজ, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস (হোটেল ওয়েস্টিন) ও অ্যালায়েন্স হোল্ডিংস লিমিটেড।
এদিকে তদন্ত রিপোর্টে এসইসির একাধিক কর্মকর্তার জড়িত থাকার ক-ধা বলা হয়েছে। বিতর্কিত ব্যক্তিদের ব্যাপারে কমিশনকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে বলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে । কিন্তু সরকারিভাবে রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়ায় এসইসি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না এবং অভিযুক্তদের নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
তৃতীয়ত: তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। তদন্ত কমিটি গঠনের পর থেকেই সম্ভাব্য রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে বাজারে নানা গুজব চলছিল। এতে বাজারও বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
অবশেষে তদন্ত কমিটি রিপোর্ট হস্তান্তর করলেও সরকারিভাবে তা এখনো প্রকাশ না করায় রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তি কাটছে না। এতে করে বাজারের স্বাভাবিক গতিও ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহেমদ বাংলানিউজকে বলেন, সরকার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না করায় এর মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বাংলানিউজকে বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ওপর জন আগ্রহ (পাবলিক ইন্টারেস্ট) সবচেয়ে বেশি। সেক্ষেত্রে এটা প্রকাশ না করা হলে তা নিয়ে নানা বিভ্রান্তি হতেই পারে।
তিনি বলেন, যেহেতু সরকারি ভাবে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে বিলম্ব না করে শুধুমাত্র তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হিসেবে এটি প্রকাশ করতে পারে সরকার।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১৯ ঘণ্টা, ১৮ এপ্রিল ২০১১ |
|
|
| 04/19/2011 6:07 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
যৌক্তিক সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে হাইকোর্টের নির্দেশ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন যৌক্তিক সময়ে প্রকাশ করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঐ প্রতিবেদন প্রকাশে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউলস্নাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়।
একই সঙ্গে কারসাজির ঘটনায় প্রতিবেদনে চিহ্নিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা আদালত জানতে চেয়েছে। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ার হোল্ডারদের অর্থ তাঁদের এ্যাকাউন্টে কেন ফেরত দেয়া হবে না এ মর্মে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকার ও সংশিস্নষ্টদের এই রম্নলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ সোমবার জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দাখিল করে। রিটে মন্ত্রী পরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচিব, বাংলাদেশ
ব্যাংকের গবর্নর ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ পৰে আইনজীবী মনজিল মোরশেদ শুনানিতে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ না হলে আমরা আবার আদালতে যাব। সংগঠনটির পক্ষে এ্যাডভোকেট মোরশেদ ১২ এপ্রিল সংশিস্নষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। তাতেও প্রকাশ না হওয়ায় রিট আবেদন করা হয়। রিট আবেদন প্রকাশ হলে তাতে কারসাজিতে জড়িত যাদের না আসবে, তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুনরায় আদালতে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন মনজিল।
পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না- এ তিনটি রম্নল জারি করতে হাইকোর্টে রিট আবেদন। এর পরিপ্রেৰিতে হাইকোর্ট রম্নল জারি করেছে। |
|
|
|