| 01/19/2011 6:29 am |
 Administrator Forum Addict

Regist.: 01/16/2011 Topics: 77 Posts: 29
 OFFLINE | কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি তৈরিতে দেরি করায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কোন খাতে কি পরিমাণ বিনিয়োগ করবে সে সিদ্ধান্তô নিতে পারছে না। কিছু ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন- মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে শেয়ারবাজার স্বাভাবিক নাও হতে পারে।
সূত্র জানায়, অতিরিক্ত লাভের আশায় যে সব ব্যাংক নিয়ম-বহিভূêতভাবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতো তারাও এখন বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকছে। এর সার্বিক প্রভাব পড়ছে বাজারে। এ কারণে প্রতিদিনই দরপতন হচ্ছে।
এ বিষয়ে ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ব্যাব) সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার বলেন, অন্যান্য বছর ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি পেয়ে যাই। কিন্তু এবার এখনো পাইনি। এজন্য বিনিয়োগ ছাড়াও কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্তô নেয়া যাচ্ছে না। তবে মুদ্রানীতি ঘোষণায় দেরির কারণে শেয়ারবাজারে কোনো প্রভাব পড়ছে না বলে তিনি উলেস্নখ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অপর একটি সূত্র জানায়, দেড় মাস আগে মুদ্রানীতি তৈরির ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হলেও এখন পর্যন্তô পূর্ণাঙ্গ করা সম্্ভব হয়নি। এর কারণ হিসেবে ওই সূত্র নিশ্চিত করেন শেয়ারবাজার ধস থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ব্যাংককে ভূমিকা রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর থেকে শেয়ারবাজারকে স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পদক্ষেপ নেয়। তারল্য সংকট মেটাতে আর্থিক সহায়তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর এ সংক্রান্তô কয়েকটি বিধিমালা শিথিল করে।
জানা গেছে, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ২০১০-১১ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সূত্র আরো জানায়, মুদ্রানীতি ঘোষণার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনো কোনো বৈঠক করতে পারেনি। যদিও মাত্র ৬ ঘণ্টার নোটিসে এ বৈঠক ডাকা যায়। আগামী ২৩ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড· আতিউর রহমানসহ দেশের অর্থনীতিবিদরা এতে আলোচনা করবেন।
সূত্র জানায়, শেয়ারবাজার স্বাভাবিক করতে বর্তমানে বাজারে নগদ টাকা ছাড়া হলেও আগামী জুন-জুলাইতে বাজার থেকে নগদ টাকার প্রবাহ কমানো হবে। ওই সময় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুঁজিবাজারসহ নিয়মবহির্ভূত বিনিয়োগ বন্ধে কঠোর থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইভাবে কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতগুলোকে পর্যাপ্ত অর্থায়নসহ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আওতাভুক্তির কথা বলা থাকবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়নের জন্য ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া হয়েছে। সরকারের নীতি ও কৌশলের সঙ্গে মিল রেখে উৎপাদনশীলতার ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোর দিচ্ছে বলে তিনি উলেস্নখ করেন। তিনি বলেন, মুদ্রানীতিতে খাদ্য আমদানি করতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হবে। একইভাবে উৎপাদনশীল খাতের প্রসারে ঋণপ্রাপ্তি বাড়ানোর দিকে জোর দেয়া হবে। আর্থিক সেবায় অধিক মানুষকে অন্তôর্ভুক্ত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে কৃষি, মাঝারি উদ্যোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অন্যান্য উৎপাদনমুখী খাতকে আরো জোরদার করা হবে। |
|
|