DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
৫৪ হাজার কোটি টাকার এসএমই ঋণ ও পুঁজিবাজার ধস
Page 1 / 1
৫৪ হাজার কোটি টাকার এসএমই ঋণ ও পুঁজিবাজার ধস
05/24/2011 1:39 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
৫৪ হাজার কোটি টাকার এসএমই ঋণ ও পুঁজিবাজার ধস

গেলো বছর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে (এসএমই) ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৪ হাজার কোটি টাকা। পরে সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেলো, ব্যাংকগুলো এ খাতে ঋণ বিতরণ করেছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত খাত অর্থাৎ উৎপাদনশীল খাতে বিতরণ হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে বাণিজ্যিক খাতে।
....।এসএমই'র নামে যেসব ঋণ বিতরণ হয়েছে তা প্রকৃত খাতে বিতরণ হয়েছে কি-না তা দেখার দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে কোনো মনিটরিং করা হয়নি। এর ফলে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকিং খাত থেকে বের হয়ে গেছে। বিনিয়োগ হয়েছে পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে। পুঁজিবাজার অতিমূল্যায়িত হয়ে গিয়েছিল। যার খেসারত ভোগ করছে সাধারণ বিনিয়োগকারী।

এসএমই খাতে লক্ষ্যমাত্রার বেশি ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান সরাসরি দায়ী বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ কেউ। তাদের মতে, গেলো বছর গভর্নর টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া রোড শো'র নামে এসএমই ঋণ বিতরণে উৎসাহিত করতে ঢাক-ঢোল পিটিয়েছিলেন। আর এ ঢাক-ঢোল পেটানোর পেছনে যত অর্থ ব্যয় হয়েছে তার দায় চাপিয়ে দিয়েছিলেন ব্যাংকগুলোর ওপর। যেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান এ ধরনের কাজ করেন, সেখানে ব্যাংকগুলো ও সুযোগ সন্ধানীরাতো সুযোগ নেবেনই। আর এতে যা হবার তাই হয়েছে। এসএমই'র নামে অধিক মাত্রায় ঋণ বিতরণের ফলে ব্যাংকিং খাতে আজকের তীব্র তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বড় অংকের চেক দিলে ব্যাংকের কোনো শাখা তা নগদায়ন করতে পারে না। টাকার জন্য এলসি খুলতে পারছে না ব্যাংক। ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। অপরদিকে ব্যাংকিং খাতে বেড়ে গেছে খেলাপি ঋণ। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ৪১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, গত মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ২৩ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বর শেষে ছিল ২২ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা।

সাবেক ব্যাংকারদের মতে যেখানে বাংলাদেশের কোনো লক্ষ্যমাত্রাই অর্জিত হয় না, সেখানে লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি ঋণ বিতরণ বাজারে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সহায়তা করেছে বলে তারা মনে করছেন। এ ঋণ যতটুকু না কাজে লেগেছে, অপচয় হয়েছে তার চেয়ে বেশি। বছরের শুরুতেই এসএমই'র নামে ঢাক-ঢোল পেটানোর পাশাপাশি মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করলে অর্থাৎ এসএমই ঋণের টাকা কোথায় যাচ্ছে তা তদারকি করলে এসএমই'র নামে 'হরিলুট' হতো না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, তারা গত বছরের এসএমই ঋণ কার্যক্রমের ওপর একটি সমীক্ষা তৈরি করেছেন। ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের চিত্র দেখে তারাই হতবাক হয়েছেন। এ কারণে এবছর এসএমই ঋণ বিতরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো উচ্চবাচ্য শোনা যাচ্ছে না। এমন কী তিন মাস পর পর এসএমই ঋণ বিতরণের পরিসংখ্যান জানানোর কথা থাকলেও তিন মাস পার হয়ে ৫ মাসে পড়লেও এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরকম কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।
জানা গেছে, আগে কৃষিঋণ ও স্পেশাল প্রোগ্রাম নামে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি শাখা ছিল। এতে ছিলেন একজন জিএম ও তার অধীনস্থ কর্মকর্তারা। এ বিভাগ থেকেই কৃষি ঋণ ও শিল্প ঋণের কার্যক্রম তদারকি করা হতো। এর মধ্যে এসএমই নামে একটি শাখা ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর গেলো বছরের শুরুর দিকে এসএমই নামে একটি নতুন বিভাগ খোলেন। এতে জিএমসহ লোকবল নিয়োগ দেয়া হয়। তাদের অধীনে এসএমই ঋণ কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।
বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে এসএমই ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা চাওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে প্রথমে ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসএমই ঋণ বিতরণে উৎসাহিত করতে নীতিমালা শিথিল করা হয়। যারা এসএমই ঋণ বিতরণ করবে বেশি তাদের ক্ষেত্রে নীতিমালা শিথিল করা হয়। দেশের অর্ধেক নারী শ্রেণীকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এগিয়ে আনার জন্য নানা প্রকার কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত অর্থাৎ টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া এসএমই লোনের নামে ব্যাংকগুলোর টাকায় রোড শো করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় রোড শো'র বিশাল গাড়ির বহর দেখে অনেকেই এটাকে প্রমোদ ভ্রমণ নামেও অভিহিত করেন।
নারী উদ্যোক্তা শ্রেণীকে উদ্বুদ্ধ করতে এসএমইকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হলেও ঋণ বিতরণের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছর নারী শ্রেণী ঋণ পেয়েছেন মোট এসএমই ঋণের মাত্র ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ৫৪ হাজার কোটি টাকার এসএমই ঋণের মধ্যে নারীরা পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। তাও আবার বড় বড় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীদের স্ত্রী, আত্মীয়রাই বেশি। সাধারণ শ্রেণীর নারীরা ধারে কাছেই যেতে পারেনি। বাকি ৯৬ দশমিক ৬২ শতাংশ পেয়েছে পুরুষরা, টাকার অংকে ৫১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা।
উৎপাদনশীল খাতে ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্বের সংখ্যা কমানোই প্রধান উদ্দেশ্যের কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে উৎপাদনশীল খাতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে মোট ঋণের ২৮ শতাংশ। আর সেবা খাতে ৬ শতাংশ। বাকি ৬৬ শতাংশই বিতরণ হয়েছে বাণিজ্যিক খাতে। অর্থাৎ প্রকৃত খাতে বিনিয়োগ না হয়ে টাকা চলে গেছে অন্যান্য খাতে।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, যেখানে সরকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ দিতে পারছে না সেখানে উদ্যোক্তারা ঋণ নিয়ে কী করবেন। অনেক সময় প্রকৃত উদ্যোক্তাই পাওয়া যায়নি। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসএমই ঋণ বিতরণে পারফরমেন্স খারাপ করলে তিরস্কার করা হতো। এ সুযোগটিই কাজে লাগিয়েছেন সুযোগ সন্ধানীরা। কেউ কেউ বাংলাদেশ ব্যাংক ও গভর্নরকে খুশি করার জন্য এসএমই'র নামে অন্যান্য খাতে ঋণ বিতরণ করেছেন। যার বেশির ভাগই চলে গেছে পুঁজিবাজারসহ অনুৎপাদনশীল খাতে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুরু থেকেই কোনো তদারকি না করায় টাকা অন্য খাতে সহজেই স্থানান্তর করতে পেরেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কয়েক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঋণের নামে এরকম হরিলুট আর কখনো হয়নি। অনেকেই এসএমই'র নামে ঋণ নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। আবার কেউ কেউ বাড়ি ঘর নির্মাণ করেছেন। কেউ কেউ টিভি, ফ্রিজসহ বিলাসজাত পণ্য কিনেছেন। এতে বাজারে টাকার প্রবাহ বেড়ে যায়।
দেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুধুমাত্র ঋণ বিতরণেই উদ্বুদ্ধ করেছে। কিন্তু ঋণের অর্থ কোথায় যাচ্ছে তা তদারকি করা হয়নি। এর ফল ভোগ করছে ব্যাংকগুলো। এখন দৈনন্দিন কার্যক্রমই চালাতে পারছে না কোনো কোনো ব্যাংক। হাত পাততে হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের শেষের দিকে ব্যাংকগুলোতে তদারকি পরিচালনা করে। কিন্তু ততদিনে যা হওয়ার কথা তা হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে ওই সময় দেখা যায়, বেশিরভাগ শিল্পঋণ বিনিয়োগ হয়েছে পুঁজিবাজারে। এসএমই'র নামে ঋণ নিয়ে তা বিনিয়োগ করা হয়েছে পুঁজিবাজারে। এতে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের হার অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। কোনো কোনো ব্যাংকের ঋণ আমানতের অনুপাত ১০০ শতাংশ ছেড়ে যায়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে যে পরিমাণ আমানত গ্রহণ করবে, আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ১৯ শতাংশ এসএলআর হিসেবে রাখতে হবে। বাকি ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক ১০৭ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে দেখা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব শিল্প ঋণের টাকা পুঁজিবাজারে চলে গেছে তা সমন্বয় করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়। প্রথমে নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তা আরো বাড়িয়ে জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।
সাবেক এক ব্যাংকার জানিয়েছেন, চোর চুরি করে চলে যাওয়ার পর সাবধান হলে যেরকম হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। যখন শিল্প ঋণের টাকা শিল্প-কারখানায় বিনিয়োগ না করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ফেলেছে, তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম ভাঙে। কিন্তু ঘুম ভেঙে দেখে যা সর্বনাশ হওয়ার তাই হয়েছে।
ছানা বড়া চোখে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দ্রুত কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় করতে ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেট লাইন বেঁধে দেয়। যেসব শিল্প ঋণের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হয়েছিল তা সমন্বয় করতে নির্দেশ দেয়া হয়। ব্যাংকারদের ডেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা অপদস্থ করতে থাকেন। পুঁজিবাজারের মতো স্পর্শক বাজারকে নিয়ে নানা দায়িত্বহীনতার মতো কমেন্ট করা হয়। স্বয়ং গভর্নরই পুঁজিবাজারকে 'ফটকা' বাজার নামে অভিহিত করেন যা পরদিন গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংকগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের বেশিরভাগ বিনিয়োগ পুঁজিবাজার থেকে প্রত্যাহার করে। বড় অংকের শিল্পঋণ নিয়ে যারা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছিলেন তারাও প্রত্যাহার করতে থাকে। ওই সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার এমন আক্ষেপ করতেও দেখা যায় 'ব্যাংকগুলো শেয়ার বিক্রি করে সাধারণ জনগণের হাতে ধরিয়ে দিয়ে যাচ্ছে, আর পুঁজিসহ মুনাফা তুলে নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের যে কী হবে।' এতে দেখা যায়, গতবছর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো স্মরণকালের মতো মুনাফা করে। কোনো কোনো ব্যাংকের ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা হয়।
রাতারাতি ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেয়ায় পুঁজিবাজারে বড় ধরনের তারল্য সংকটের মুখে পড়ে। এক সময় দেখা যায়, পুঁজিবাজারে বিক্রেতা আছে ক্রেতা নেই। এভাবে স্মরণকালের ভয়াবহ ধস নামে পুঁজিবাজারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে লেনদেনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক মুনাফা পেলেও এই মুনাফা বেশি মাত্রায় খেলাপি ঋণের কারণে শেষ পর্যন্ত ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বরং তাদেরকে এখন চরম অর্থ সংকটের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এর জন্য মূলতঃ দায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভুলের খেসারত শুধুৃ ব্যাংকগুলোই দেয়নি, এর খেসারত দিতে হচ্ছে পুঁজিবাজারের ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীকে। এর খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের অর্থনীতির। সর্বোপরি আগামী নির্বাচনে এর খেসারত দিতে হবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের। সর্বসাধারণের প্রশ্ন এর দায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি'র চেয়ারম্যানের একার ঘাড়েই পড়বে, নাকি এর জন্য সমান দায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমানও?
- বিশেষ প্রতিবেদক, Sheershakagoj
৭ম বর্ষ ৫১তম সংখ্যা সোমবার ২৩ মে ২০১১ ৯জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview