| 04/30/2011 4:16 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE |
পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্ট : কমিটির সুপারিশ
০১. এসইসির শীর্ষ নির্বাহীদের অপসারণ :
চেয়ারম্যান জনাব জিয়াউল হক খন্দকার ও ২ জন নির্বাহী পরিচালক জনাব আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া এবং জনাব তারিকুজ্জামানকে এসইসি থেকে অপসারণ এবং এদেরসহ প্রাক্তন সদস্য মনসুর আলমের ব্যাপারে নিবিড় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
০২. এসইসি পুনর্গঠন :
বর্তমানে জরুরীভিত্তিতে এসইসির চেয়ারম্যানসহ শীর্ষ পদ পূরণের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করা ইত্যাদি।
০৩. স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়্যালাইজেশন :
ডিএসই কর্তৃক গঠিত ডিমিউচুয়্যালাইজেসন কমিটিকে সময়সীমা প্রদান করে নাই। এক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক তিনমাস সময় বেধে দেয়া। কমিটির সুপারিশ এবং ডিএসইর অবস্থান সন্তোষজনক না হলে সরকার নিজে বিশ্ব ব্যাংক/অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা গ্রহণ করতে পারে ইত্যাদি।
০৪. স্টক এক্সচেঞ্জ ও এসইসির কর্মসমন্বয়:
একটি স্টাডি টিম গঠন করে স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এসইসির ওভার-ল্যাপ কর্ম ও গ্রে-এরিয়াগুলো চিহ্নিত করে কর্মতালিকা সুনির্দিষ্ট করা উচিৎ ইত্যাদি।
০৫. পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অর্থায়ন। :
ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬(২) ধারা সংশোধন। যে সব ব্যাংক ২০০৯ ও ২০১০ সালে আইন ভেঙে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ করা ইত্যাদি।
০৬. প্রাক-আইপিও/আইপিও প্রক্রিয়া :
এ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে নিয়মাচার তৈরি করা।
০৭. প্লেসমেন্ট/কার্ব মার্কেট ও ব্যক্তি পর্যায়ে শীর্ষ ৩০ জন প্লেসমেন্টধারী। :
সুশীল সমাজ, জনপ্রতিনিধি, গবেষক প্রমুখদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে "প্লেসমেন্ট নিয়মাচার" তৈরি ইত্যাদি এবং ব্যক্তি পর্যায়ে শীর্ষ ৩০ জন প্লেসমেন্টধারীর অর্থ সংস্থান, আন্তঃসংযোগ নিবিড় পরীক্ষাকরণ।
০৮. অমনিবাস একাউন্টের শ্যাডো হিসাবে কারসাজি। :
অমনিবাস একাউন্টের আড়ালে থাকা সব শ্যাডো হিসাব পরীক্ষাসহ ইনডিভিজুয়্যাল হিসাবের জন্য পৃথক পৃথক বিও একাউন্ট খুলতে হবে ইত্যাদি।
০৯. সরকারী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শেয়ার লেনদেন।
এসইসি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, বাংলাদেশ ব্যাংক ও তফশীলি ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ার লেনদেন (ট্রেডিং) সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে ইত্যাদি। মার্চেন্ট ব্যাংকার, এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং ব্রোকার ডিলার কোম্পানির কর্মকর্তাবৃন্দও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবেন। সরকারী, আধা-সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তাগণ শেয়ারে বিনিয়োগ করতে পারবেন কিন্তু প্লেসমেন্ট নিতে পারবেন না এবং লেনদেন (ট্রেডিং) করতে পারবেন না ইত্যাদি।
১০. সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন :
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের জন্য যে পর্যন্ত দেশে চার্টার্ড সার্ভেয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে, সে পর্যন্ত ভ্যালুয়েশন বা মূল্যায়নের দায়িত্ব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট ফার্ম পালন করবে ইত্যাদি।
১১. স্থির মূল্য পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ :
স্থির মূল্য পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণের জন্য তিন বছরের প্রজেক্টেড মূল্য নির্ণয়ের ভিত্তি ধংংঁসঢ়ঃরড়হ, পদ্ধতি এবং ভ্যালুয়েশন লিপিবদ্ধ করতে হবে ইত্যাদি।
১২. বুক বিল্ডিং পদ্ধতি:
মূল্য বিকৃতি রোককল্পে, 'বিধান' করতে হবে ইত্যাদি।
১৩. সম্পদ অধিক মূল্যায়নের টেস্ট কেস :
টেস্ট কেস হিসেবে লিব্রা ইনফিউশনস, সোনালী আঁশ ইন্ডাষ্ট্রিজ, রহিম টেক্সটাইল, বিডি থাই এলুমিনিয়াম, অরিয়ন ইনফিউশন লিঃ, ওশেন কন্টেইনার্স লিঃ, শাইনপুরের সিরামিক্স ও ইস্টার্ণ ইন্স্যুরেন্স-এর সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের যথার্থতা ৫ সদস্য বিশিষ্ট চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট কমিটি দ্বারা পুনঃ পরীক্ষা করা এবং এতে অনিয়ম পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
১৪. নিয়ন্ত্রণকারী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্নীতি :
এসইসির নির্বাহী পরিচালক জনাব আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া ও হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক জনাব কফিল উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় মামলা গঠন। বিভাগীয় মামলার অতিরিক্ত দুর্নীতির মামলা গঠনের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি দমন বিভাগে প্রেরণ করা। এবি ইনভেস্টমেন্ট লিঃ এর প্রধান নির্বাহী জনাব আরওয়াই শমসের ঈঊঙ হয়েও প্লেসমেন্ট নিয়ে অনৈতিক কাজ করেছেন বিধায় তাকে পদ থেকে অপসারণ করা ইত্যাদি।
১৫. সিরিয়াল টেডিং ও কারসাজি :
সিরিয়াল ট্রেডিং ও কারসাজির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসি কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
১৬. শেয়ারের ফেস ভ্যালু ইউনিফর্মকরণ :
অন্যান্য মূল্যমানের শেয়ারগুলো সমমূল্য করার সুবিধার্থে ১০ টাকায় রূপান্তর করা। ১০ টাকা ফেস ভ্যালু নয় এমন লিস্টেড কোম্পানিগুলোকে ২০১১ সালের মধ্যে শেয়ারের ফেস ভ্যালু ১০ টাকায় কনভার্ট করার উৎসাহমূলক উদ্যোগ নেয়া।
১৭. রাইট শেয়ার/ প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে অনৈতিকতা :
এ প্রক্রিয়ায় এসইসির সিদ্ধান্ত নৈতিকতা বর্জিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ বিধায় এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিষয়টি তদন্ত করতঃ দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। রাইট শেয়ার রূপান্তর/হস্তান্তরকরণে অন্তত তিন বছরের বাধা নিষেধ আরোপ।
১৮. শীর্ষ প্লেয়ারদের সন্দেহজনক লেনদেন :
এসইসি এ সব সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গের শেয়ার লেনদেনের ওপর বিস্তারিত তদন্ত করতে পারে ইত্যাদি।
১৯. কয়েকজন বিনিয়োগকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অমনিবাস একাউন্টের শ্যাডো হিসাব :
সকল অমনিবাস একাউন্টের আড়ালে থাকা ছায়া হিসাবগুলো এসইসি পরীক্ষা করবে। তিন মাসের মধ্যে অমনিবাস হিসাবগুলোক ইনডিভিজুয়্যাল বিও একাউন্টে রূপান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি।
২০. বস্নক প্লেসমেন্ট :
মাত্র দুটি ঠিকানায় ১৯ জন ব্যক্তিকে ১৯ কোটি টাকার শেয়ার বরাদ্দ এবং আহসান ইমাম গংদের নামে বিপুল অংকের শেয়ার বরাদ্দের বিষয়টি এসইসি পুনর্গঠনের পর তদন্ত করতে পারে। প্রতিবেদনে ১৯ জনের প্রত্যেকের বিপরীতে ১ লক্ষ শেয়ারের উল্লেখ রয়েছে। এ হিসাবে মোট শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ী১ = ১৯ লক্ষ এবং ভেস ভ্যালু প্রতিটি ১০ টাকা হিসাবে মোট মূল্য ১.৯০ কোটি টাকা।
২১. কেস স্টাডি পর্বে চিহ্নিত সমস্যা :
পুনর্গঠিত এসইসি স্টাডিকৃত কেসসমূহের জন্য এ্যাকশন কমিটি গঠন করে অস্বাভাবিকতা, অনিয়ম এবং আইন লঙ্ঘন ইত্যাদির জন্য দায়ী ব্যক্তি চিহ্নিত, শাস্তির ব্যবস্থা, ত্রুটি সংশোধন ইত্যাদির পদক্ষেপ গ্রহণ। বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম লিঃ ও জেম গ্লোবাল এর বিষয়ে পর্যবেক্ষণে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডি-এর কাছে হস্তান্তর কমিটি কেপিসিএল এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর যৌথ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা।
২২. তদন্ত পরবর্তী ধারাবাহিক কর্ম :
যৌথ তদন্ত অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে এসইসি, ডিএসই, সিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডিবির সমন্বয়ে একটি সার্বক্ষণিক "যৌথ ইন্সপেকশন" দল গঠন করা ইত্যাদি।
২৩. বাস্তবায়ন মনিটরিং :
তদন্ত কমিটি যে সকল সুপারিশ সরকার গ্রহণ করবে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে একটি "বাস্তবায়ন মনিটরিং কমিটি" গঠন করা।
২৪. সরকারের সতর্কতা প্রয়োজন :
পুঁজিবাজার লেনদেন ও পরিচালনায় সালমান এফ. রহমান ও রকিবুর রহমান এর প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন।
২৫. বিবিধ :
বিও একাউন্ট খোলার সময় ঞওঘ প্রদানের বিধান, এসইসির অবসরপ্রাপ্ত, পদত্যাগকারী, অন্য কোনভাবে অপসারিত বা চাকুরী অবসায়নকৃত কর্মকর্তাদের পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে নিয়োগ, পরামর্শক, উপদেষ্টা বা অন্য কোনভাবে পূর্ণ বা খ-কালীন নিয়োগ প্রদান এবং শেয়ার ইস্যু বা পুঁজিবাজার সংক্রান্ত কোন ব্যাপারে পরামর্শ-সার্ভিস প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ, সিডিবিএল থেকে দৈনন্দিন ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার হোল্ডিং-এর তথ্য কোম্পানিকে প্রদান বন্ধ করা এসইসি কর্তৃক বিনিয়োগ পরামর্শক (ওহাবংঃসবহঃ ধফারংবৎ) নিবন্ধন প্রথা প্রচলন ইত্যাদি।
|
|
|
| 04/30/2011 4:25 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE |
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক সনাক্তকৃত ১১টি পর্যবেক্ষণ:
০১. অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু:
সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই।
০২. স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা:
ডিএসই এবং সিএসই কর্তৃক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কোম্পানিকে প্রদান, রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নেতৃত্বে অবস্থান, এসইসি'র সাথে সমন্বয়হীনতা, বন্ধ কোম্পানিগুলোকে তালিকা বহির্ভূত না করা এবং স্টক মার্কেট দু'টোর ডিমিউচুয়্যালাইজেশন না করা ইত্যাদি।
০৩. পাকবিলক ইস্যু রুলস, ২০০৬.
বর্ণিত রুলসটির ৮বি(১)(দ) ধারাটি এসইসির মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের পরিপন্থি।
০৪. পুঁজিবাজারে মুল্য উল্লম্ফন:
পুঁজিবাজার মূল্য উল্লম্ফনের সময়ে যে সমস্ত ট্রেডার মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম জনাব গোলাম মোস্তফা। তাঁর অবলম্বিত পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে-(ক) অত্যধিক মূল্যে ইুঁ ঙৎফবৎ দিয়ে পরে পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়া। (খ) একই দিনে কোন একটি ব্রোকারেজ হাউিজ এর মাধ্যমে শেয়ার ক্রয় করে অন্য একটি একাউন্টের মাধ্যমে একই কোম্পানির শেয়ার বিক্রয় করা। (গ) কোন কোন সময় ুসড়ংঃ ভধাড়ঁৎধনষব ঢ়ৎরপবচ্- এ নুঁ ড়ৎ ংবষষ ড়ৎফবৎ ঢ়ষধপব না করে মূল্য বৃদ্ধিতে সহায়ক এমন মূল্যে ড়ৎফবৎ ঢ়ষধপব করা ইত্যাদি।
০৫. ডিসেম্বর/১০ ও জানুয়ারি/১১ সময় কালে কয়েকটি/জন শীর্ষ বিক্রেতার তালিকা:
তালিকাটি সম্ভাব্য সন্দেহজনক ম্যানিপুলেটরদের। কণঈ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এসইসি পরীক্ষা করতে পারে।
০৬. শেয়ার অতি মূল্যায়নে ২০০৯ ও ২০১০ সালে শীর্ষ ৫০টি কোম্পানি:
চিটাগাং ভেজিটেবল (জেড ক্যাটাগরি) ২০০৯ সালে ২৫১% দরবৃদ্ধি এবং ২০১০ সালে ৪১৪৮% দরবৃদ্ধি বিস্তারিত পরীক্ষার দাবি রাখে। একইভাবে বিচ হ্যাচারি, আফতাব অটোমোবাইল, সাফকো স্পিনিং, ওরিয়ন ইনফিউশন, পদ্মা সিমেন্ট, বেক্সটেক্স, সিএমসি কামাল, বিডি ওয়েল্ডিং, সিঙ্গার বিডিসহ জেড ক্যাটাগরি, উৎপাদনবিহীন এবং অবিশ্বাস্য হিসাবায়নকৃত কোম্পানির জন্য এসইসি কর্তৃক নিবিড় পরীক্ষা ও স্ক্রুটিনি প্রয়োজন।
০৭. মো. আব্দুস সালামের শেয়ার ব্যবসা:
এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিশদ তদন্ত করা।
০৮. শামীমা শরীফ এর শেয়ার ব্যবসা:
সন্দেহজনক। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করতে পারে।
০৯. শেয়ারের মূল্য বিভাজনে কারসাজি:
জনাব সৈয়দ সিরাজ উদ্দৌলা গং কর্তৃক এসইসি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ১৭(ই) ধারার বরখেলাপ। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে(পরিঃ-২১)।
১০. ইষ্টার্ণ হাউজিং লিঃ এর শেয়ারের সিরিয়াল ট্রেডিং:
আবু সাদাত মো. সায়েম এবং আব্দুল মোবিন মোল্লা কর্তৃক এসইসি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ১৭(ই) (রর) এবং (া) এর লঙ্ঘন(পরিঃ-২২)।
১১. রাইট শেয়ার ইস্যু বিধিমালায় পরিবর্তন:
রাইট শেয়ার ইস্যু বিধিমালায় পরিবর্তন আনয়ন ইত্যাদি।
|
|
|
| 04/30/2011 4:43 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ:
০১. এসইসির শীর্ষ নির্বাহীদের অপসারণ:
নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে। এসইসির ২ জন নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট চাকরীবিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা রুজু, প্রাক্তন সদস্য মনসুর আলম ও শীর্ষ নির্বাহীদের ব্যাপারে নিবিড় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
০২. এসইসি পুনর্গঠন:
সরকার মনে করে যে, পুঁজিবাজারের আস্থা নিশ্চিত করতে পুরো এসইসিকে পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
০৩. স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়্যালাইজেশন:
সরকার এক বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সে লক্ষ্যে সরকার স্টক এক্সচেঞ্জকে সচেতনও করেছিল। এখন স্টক এক্সচেঞ্জই ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সরকার এতে খুবই আশান্বিত হয়েছে। আলোচনা করে রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং নতুন অর্থবছরে এই প্রক্রিয়াটি শুরু করা হবে।
০৪. স্টক এক্সচেঞ্জ ও এসইসির কর্মসমন্বয়:
সরকারের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ হল পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সাথে পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাব ছিল। ভবিষ্যতে এ সমন্বয়হীনতা যেন আর না হয় সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয়ের মধ্যে যথাযথ সমন্বয়ের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
০৫. সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শেয়ার লেনদেন।:
সরকার ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
০৬. সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন:
বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে এ সুপারিশটি আমলে নেয়া হবে। পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্তির লক্ষ্যে সকল সরকারি কোম্পানিসমূহের সম্পদ ও দায় অভিন্ন পদ্ধতিতে পূর্ণমূল্যায়নের জন্য ইতিমধ্যে একটি নীতিমালা জারী করা হয়েছে। নীতিমালায় উল্লেখিত পদ্ধতি, মানদ- ও শর্তানুযায়ী সরকারী কোম্পানি এর সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।
০৭. নিয়ন্ত্রণকারী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্নীতি:
এসইসির নির্বাহী পরিচালক জনাব আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া ও হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক জনাব কফিল উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় মামলা গঠন এবং বিভাগীয় মামলার অতিরিক্ত দুর্নীতির মামলা গঠনের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি দমন বিভাগে প্রেরণ করা হবে। এবি ইনভেস্টমেন্ট লিঃ এর প্রধান নির্বাহী জনাব আর ওয়াই শমসের ঈঊঙ হয়েও প্লেসমেন্ট নিয়ে অনৈতিক কাজ করেছেন বিধায় তাকে ঈঊঙ পদ থেকে বিধিমতে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হবে।
০৮. শেয়ারের মূল্য বিভাজনে কারসাজি:
শেয়ারের মূল্য বিভাজনে কারসাজির মাধ্যমে এসইসি অর্ডিন্যান্স ১৯৬৯ এর ১৭(ই) ধারার বরখেলাপ করেছে মর্মে অভিমত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
০৯. ইস্টার্ন হাউজিং লিঃ এর শেয়ারের সিরিয়াল ট্রেডিং।:
সিরিয়াল ট্রেডিং এর মাধ্যমে এসইসি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ১৭(ই) (রর) এবং (া) এর লঙ্ঘনের অভিযোগটি সরকার আমলে নিচ্ছে।
১০. তদন্ত পরবর্তী ধারাবাহিক কর্ম:
কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তদন্ত পরবর্তী ধারাবাহিক কর্ম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে একটি সার্বক্ষণিক "যৌথ ইন্সপেকশন দল" গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১১. বাস্তবায়ন মনিটরিং।:
এই প্রতিবেদনের বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতায় একটি টাস্কফোর্স গঠন করছে। এই টাস্কফোর্স শুধু প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নই পর্যবেক্ষণ ও পরিবীক্ষণ করবে না, তাঁরা পুঁজিবাজারের সংস্কার কার্যক্রমেরও মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ করবে। অচিরেই এই টাস্কফোর্স এর ঞঙজ এবং ঈড়সঢ়ড়ংরঃরড়হ ঘোষণা করা হবে।
অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ: |
|
|
| 04/30/2011 4:44 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | স্বল্প মেয়াদে (এসইসি পুনর্গঠনের পর এক মাস) ব্যবস্থা গ্রহণ:
স্বল্প মেয়াদে (এসইসি পুনর্গঠনের পর এক মাস) ব্যবস্থা গ্রহণ:
০১. অগ্রাধিকর শেয়ার ইস্যু:
ইতিমধ্যে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
০২. প্রাক-আইপিও/আইপিও প্রক্রিয়া:
এ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে সরকার নিয়মাচার তৈরী করছে।
০৩. প্লেসমেন্ট/কার্ব মার্কেট ও ব্যক্তি পর্যায়ে শীর্ষ ৩০ জন প্লেসমেন্টধারী:
সুশীল সমাজ, জনপ্রতিনিধি, গবেষক প্রমুখদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে "প্লেসমেন্ট নিয়মাচার" তৈরী ইত্যাদির পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
০৪. অমনিবাস একাউন্টের শ্যাডো হিসাবে কারসাজি ইত্যাদি:
তদন্ত কমিটির সুপারিশ সরকার আমলে নিবে।
০৫. স্থির মূল্য পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ:
সরকার এ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ কমিটি গঠন করবে।
০৬. বুক বিল্ডিং পদ্ধতি:
ইতিমধ্যে এ পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
০৭. পুঁজিবাজারে মূল্য উল্লম্ফন ইত্যাদি:
এতে সেকেন্ডারী বাজারেরও অবদান রয়েছে তবে সরকার এ ব্যাপারে নিবিড় তদন্ত করবে।
০৮. সিরিয়াল ট্রেডিং ও কারসাজি:
কমিটির সুপারিশটি আমলে নেয়া হচ্ছে।
০৯. শীর্ষ প্লেয়ারদের সন্দেহজনক লেনদেন:
কমিটির অভিমত অনুযায়ী সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
১০. কয়েকজন বিনিয়োগকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অমনিবাস একাউন্টের শ্যাডো হিসাব:
সরকার তদন্ত কমিটির অভিমত আমলে নেবে।
১১. বস্নক প্লেসমেন্ট:
প্রতিবেদনে ১৯ জনের প্রত্যেকের বিপরীতে ১ লাখ শেয়ারের উল্লেখ রয়েছে। এ হিসাবে মোট শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ী১= ১৯ লক্ষ এবং ফেস ভ্যালু প্রতিটি ১০ টাকা হিসাবে মোট মূল্য ১.৯০ কোটি টাকা। তবুও অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
১২. ডিসেম্বর/১০ ও জানুয়ারি/১১ সময় কালে কয়েকটি/জন শীর্ষ বিক্রেতার তালিকা:
কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
১৩. স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা:
সরকার মনে করে উল্লেখিত বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
১৪. শেয়ার অতি মূল্যায়নে ২০০৯ ও ২০১০ সালে শীর্ষ ৫০টি কোম্পানি:
উল্লেখিত কোম্পানি সমূহসহ জেড ক্যাটাগরি, উৎপাদনবিহীন এবং অবিশ্বাস্য হিসাবায়নকৃত কোম্পানির জন্য সরকার নিবিড় পরীক্ষা ও স্ক্রুটিনির উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
১৫. রাইট শেয়ার ইস্যু বিধিমালায় পরিবর্তন।:
সরকার ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।
১৬. শেয়ারের ফেস ভ্যালু ইউনিফর্মকরণ:
স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা ক্রমে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করছে।
১৭. বিও একাউন্ট খোলার সময় ঞওঘ প্রদানের বিধানসহ আরো ২/১টি সুপারিশ:
এ ব্যাপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
|
|
|
| 04/30/2011 4:46 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE |
মধ্য মেয়াদে (এসইসি পুনর্গঠনের পর চার মাস) ব্যবস্থা গ্রহণ:
০১. পুঁজিবারে ব্যাংকের অর্থায়ন:
ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬(২) ধারা সংশোধন। যে সব ব্যাংক ২০০৯ ও ২০১০ সালে আইন ভেঙ্গে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ করা ইত্যাদি।
০২. সম্পদ অধিক মূল্যায়নের টেস্ট কেস:
টেস্ট কেস হিসেবে লিব্রা ইনফিউশনস সোনালী, আঁশ ইন্ডাষ্ট্রিজ, রহিম টেক্সটাইল, বিডি থাই এলুমিনিয়াম এলুমিনিয়াম অরিয়ন ইনফিউশন লিঃ, ওশেন কন্টেইনার্স লিঃ, শাইনপুকুর সিরামিক্স ও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স এর সম্পদ পূনর্র্মূল্যায়নের যথার্থতা ৫ সদস্য বিশিষ্ট চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট কমিটি দ্বরা পুনঃ পরীক্ষা করা এবং এতে অনিয়ম পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
০৩. রাইট শেয়ার/প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে অনৈতিকতা:
এ প্রক্রিয়ায় এসইসির সিদ্ধান্ত নৈতিকতা বর্জিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ বিধায় এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিষয়টি তদন্তকরত দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। রাইট শেয়ার রূপান্তর/হস্তান্তরকরণে অন্তত তিন বছরের বাধা নিষেধ আরোপ।
০৪. কেস স্টাডিপর্বে চিহ্নিত সমস্যা:
পুনর্গঠিত এসইসি স্টাডিকৃত কোসসমূহের জন্য এ্যাকশন কমিটি গঠন করে অস্বাভাবিকতা, অনয়িম এবং আইন লঙ্ঘন ইত্যাদির জন্য দায়ী ব্যক্তি চিহ্নিত, শাস্তির ব্যবস্থা, ত্রুটি সংশোধন ইত্যাদির পদক্ষেপ গ্রহণ। বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম লিঃ ও জেম গ্লোবাল এর বিষয়ে পর্যবেক্ষণে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডি এর কাছে হস্তান্তর কমিটি কেপিসিএল এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয রাজস্ব বোর্ড এর যৌথ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা।
০৫. মোঃ আব্দুস সালামের শেয়ার ব্যবসা:
এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিশদ তদন্ত করা।
০৬. শামীমা শরীফ এর শেয়ার ব্যবসা:
সন্দেহজনক। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করতে পারে।
০৭. পাবলিক ইস্যু রুলস, ২০০৬:
বর্ণিত রুলসটির ৮বি (১) (দ) ধারাটি এসইসির মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের পরিপন্থি।
|
|
|
| 04/30/2011 4:51 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত :
০১. প্লেসমেন্ট/কার্বমার্কেট ও ব্যক্তি পর্যায়ে শীর্ষ ৩০ জন প্লেসমেন্টধারী:
সুশীল সমাজ, জনপ্রতিনিধি, গবেষক প্রমুখদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে "প্লেসমেন্ট নিয়মাচার" তৈরি ইত্যাদি এবং ব্যক্তি পর্যায়ে শীর্ষ ৩০ জন প্লেসমেন্টধারীর অর্থ সংস্থান, আন্তঃসংযোগ নিবিড় পরীক্ষাকরণ।
০২. পুঁজিবাজারে মূল্য উল্লম্ফলন:
পুঁজিবাজার মূল্য উল্লম্ফলনের সময়ে যে সমস্ত ট্রেডার মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের ভূমিকা পর্যালোচনা ইত্যাদি।
০৩. সম্পদ অধিক মূল্যায়নের টেস্ট কেস:
টেস্ট কেস হিসেবে লিব্রা ইনফিউশনস, সোনালী আঁশ ইন্ডাষ্ট্রিজ, রহিম টেক্সটাইল, বিডি থাই এলুমিনিয়াম, অরিয়ন ইনফিউশন লিঃ, ওশেন কন্টেইনার্স লিঃ, শাইনপুকুর সিরামিক্স ও ইস্টার্নর্ ইন্স্যুরেন্স এর সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের যথার্থতা ৫ সদস্য বিশিষ্ট চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট কমিটি দ্বারা পুনঃ পরীক্ষা করা এবং এতে অনিয়ম পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
০৪. সিরিয়াল ট্রেডিং ও কারসাজি:
সিরিয়াল ট্রেডিং ও কারসাজির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসি কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
০৫. রাইট শেয়ার/প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে অনৈতিকতা:
এ প্রক্রিয়ায় এসইসির সিদ্ধান্ত নৈতিকতা বর্জিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ বিধায় এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিষয়টি তদন্তকরত দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। রাইট শেয়ার রূপান্তর/হস্তান্তরকরণে অন্তত তিন বছরের বাধা নিষেধ আরোপ।
০৬. শীর্ষ প্লেয়ারদের সন্দেহজনক লেনদেন:
এসইসি এ সব সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গের শেয়ার লেনদেনের উপর বিস্তারিত তদন্ত করতে পারে ইত্যাদি।
০৭. কয়েকজন বিনিয়োগকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অমনিবাস একাউন্টের শ্যাডো হিসাব:
সকল অমনিবাস একাউন্টের আড়ালে থাকা ছায়া হিসাবগুলো এসইসি পরীক্ষা করবে। তিনমাসের মধ্যে অমনিবাস হিসাবগুলোকে ইনডিভিজুয়াল বিও একাউন্টে রূপান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি।
০৮. বস্নক প্লেসমেন্ট:
মাত্র দুটি ঠিকানায় ১৯ জন ব্যক্তিকে ১৯ কোটি টাকার শেয়ার বরাদ্দ এবং আহসান ইমাম গংদের নামে বিপুল অংকের শেয়ার বরাদ্দের বিষয়টি এসইসি পুনর্গঠনের পর তদন্ত করতে পারে।
প্রতিবেদন ১৯ জন প্রত্যেকের বিপরীতে ১ লক্ষ শেয়ারের উল্লেখ রয়েছে। এ হিসাবে মোট শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ী১ = ১৯ লক্ষ এবং ফেস ভ্যালু প্রতিটি ১০ টাকা হিসাবে মোট মূল্য ১.৯০ কোটি টাকা।
০৯. কেস স্টাডি পর্বে চিহ্নিত সমস্যা:
পুনর্গঠিত এসইসি স্টাডিকৃত কেসসমূহের জন্য এ্যাকশন কমিটি গঠন করে অস্বাভাবিকতা, অনিয়ম এবং আইন লঙ্ঘন ইত্যাদির জন্য দায়ী ব্যক্তি চিহ্নিত, শাস্তির ব্যবস্থা, ত্রুটি সংশোধন ইত্যাদির পদক্ষেপ গ্রহণ। বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম লিঃ ও জেম গ্লোবাল এর বিষয়ে পর্যবেক্ষণে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডি এর কাছে হস্তান্তর কমিটি কেপিসিএল এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর যৌথ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা।
১০. ডিসেম্বর/১০ ও জানুয়ারি/১১ সময় কালে কয়েকটি/জন শীর্ষ বিক্রেতার তালিকা:
তালিকাটি সম্ভাব্য সন্দেহজনক ম্যানিপুলেটরদের। কণঈ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এসইসি পরীক্ষা করতে পারে।
১১. স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা :
ডিএসই এবং সিএসই কর্তৃক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কোম্পানিকে প্রদান, রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নেতৃত্বে অবস্থান, এসইসি'র সাথে সমন্বয়হীনতা, বন্ধ কোম্পানিগুলোকে তালিকাবহির্ভূত না করা এবং স্টক মার্কেট দু'টোর ডিমিউচুয়্যালাইজেশন না করা ইত্যাদি।
১২. শেয়ার অতি মূল্যায়নে ২০০৯ ও ২০১০ সালে শীর্ষ ৫০টি কোম্পানি:
চিটাগাং ভেজিটেবল (জেড ক্যাটাগরি) ২০০৯ সালে ২৫১% দরবৃদ্ধি এবং ২০১০ সালে ৪১৪৮% দরবৃদ্ধি বিস্তারিত পরীক্ষা দাবী রাখে। একইভাবে বীচ হ্যাচারী, আফতাব অটোমোবাইল, সাফকো স্পিনিং, ওরিয়ন ইনফিউশন, পদ্মা সিমেন্ট, বেক্সটেক্স, ঈগঈ কামাল, বিডি ওয়েল্ডিং, সিঙ্গার বিডিসহ জেড ক্যাটাগরি, উৎপাদনবিহীন এবং অবিশ্বাস্য হিসাবায়নকৃত কোম্পানির জন্য এসইসি কর্তৃক নিবিড় পরীক্ষা ও স্ক্রুটিনি প্রয়োজন।
১৩. মোঃ আব্দুস সালামের শেয়ার ব্যবসা :
এসইসি পুনর্গঠিত হবার পর বিশদ তদন্ত করা।
১৪. শামীমা শরীফ-এর শেয়ার ব্যবসা :
সন্দেহজনক। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করতে পারে।
|
|
|
| 04/30/2011 4:52 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | কমিটির পর্যবেক্ষণে ফৌজদারি অপরাধ :
০১. শেয়ারের মূল্য বিভাজনে কারসাজি:
জনাব সৈয়দ সিরাজ উদ্দৌলা গং কর্তৃক এসইসি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭ (ই) ধারার বরখেলাপ। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
০২. ইষ্টার্ণ হাউজিং লিঃ-এর শেয়ারের সিরিয়াল ট্রেডিং :
আবু সাদাত মোঃ সায়েম এবং আব্দুল মোবিন মোল্লা কর্তৃক এসইসি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭(ই) (রর) এবং (া) এর লঙ্ঘন।
|
|
|
| 04/30/2011 4:53 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ :
১. এসইসি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১ জন সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন;
২. এসইসি'র প্রাক্তন সদস্য জনাব মনসুর আলমকে অব্যাহতি প্রদান;
৩. এসইসির নির্বাহী পরিচালক জনাব আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়াকে ওএসডি করা;
৪. বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার জন্য উদ্যোগ;
৫. ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ সংশোধনের উদ্যোগ;
৬. স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়্যালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ;
৭. এসইসি'র সার্ভেইলেন্স সিস্টেম আধুনিকীকরণের উদ্যোগ;
৮. কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ সংশোধনের উদ্যোগ;
|
|
|
|