| 04/17/2011 11:56 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন পেতে পারে কাল
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রস্তাবিত ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন (ওপেন এন্ডেড) মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি আগামীকাল সোমবার অনুমোদন দিতে পারে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসইসি'র এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি ফান্ডটির অনুমোদনের জন্য গত ২৯ মার্চ এসইসিতে পাঠায়।
তবে ফান্ডটি এসইসি অনুমোদন দিলেও তা কতদিনের মধ্যে বাজারে আসতে সক্ষম হবে এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া ফান্ডটি গঠনের ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকার আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে। যা বাংলাদেশ ফান্ডের প্রস্তাবিত আকারের চেয়ে ৩ হাজার ৮শ কোটি টাকা কম। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মৌখিকভাবে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনে অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে বলে আইসিবি'র পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এ অর্থ কত দিনের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
ফান্ডটি গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ছাড় চেয়েছে ফান্ডটির উদ্যোক্তা আইসিবি। যে সকল বিষয়ে ছাড় চাওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা- ২০০১'র কিছু বিধির বিষয়ে ছাড়, ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ উৎস জানতে না চাওয়া, কর অব্যাহতি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ারের জন্য কোটা দাবির মতো কিছু বিষয়ে ছাড়। এ ছাড়গুলোর বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয় জড়িত থাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরো জানান, আইসিবি যে সকল বিষয়ে ছাড় চেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কিছু জায়গাতে এসইসি ছাড় নাও দিতে পারে। সকল বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে এটি আইসিবি আশা করতে পারে না। তবে বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো ইচ্ছার অভাব নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান, আন্ডারাইটার ও স্পন্সর একই প্রতিষ্ঠানে হওয়াতে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ আইসিবির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। যার প্রতিফলন ঘটেছে কারসাজির নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। এর আগে আইসিবি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ছয়শ কোটি টাকা বাজারে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই নতুন করে বড় আকারের একটি ফান্ড আইসিবি'র হাতে চলে গেলে তা আইসিবি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হবে কি-না এ বিষয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
এদিকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা- ২০০১ অনুযায়ী অনুমোদন পাওয়ার পর, বাংলাদেশ ফান্ডের টার্গেট সাইজ বা পরিকল্পিত বিনিয়োগ আকার ৫ হাজার কোটি টাকার ৬০ ভাগ বা ৩ হাজার কোটি টাকা নির্ধারিত ৪৫ দিনের মধ্যে সংগ্রহ করতে সক্ষম নাও হতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার ৫৬ ধারা থেকে এ ফান্ডটিকে অব্যাহতি বা ছাড় দেয়ার আবেদন করেছে। কেননা ওই বিধিতে, অনুমোদন পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পরিকল্পিত বিনিয়োগ আকারের অন্তত ৬০ শতাংশ বা বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে ৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য ১ হাজার ২শ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাই ওই বিধিতে যদি ছাড় না দেয়া হয় তাহলে অনুমোদন পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৮শ কোটি টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হবে কি-না এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এএএ/এআইকে/১৯.০০ঘ.) |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 04/17/2011 1:12 pm |
 Cool Senior Member

Regist.: 01/17/2011 Topics: 1 Posts: 54
 OFFLINE | watin fo aprov |
|
|
| 04/17/2011 1:14 pm |
 Junior Member

Regist.: 02/18/2011 Topics: 0 Posts: 22
 OFFLINE | Anek gulo kintu ar jodi?.................tahole. sattikar arthe ICB ki chai? december-a amra jakhon gambler kujsi, manipulator kujsi. takhon ICB max wing theke sale dia market fall kore dilo. abar BB every week 200 cror ICB ke dilo market up korar jonno? ami ki kisu bujte parlam? naki ami boka? ICB ar profit ke passe............ Govt? naki anno keu? jodi govt ICB theke profit take kore amader jonno Chal dal amdani kore, khaddo bazar isthitishil rakhte chai tahole amader ki bolar ase. "brihot sarthe khudro sartho dan". according to the report SEC is the first culprit & ICB is the second culprit. both can't take step without permission from Government organization. ????????? |
|
|
| 04/17/2011 1:48 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha: 18/04/2011
'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন হতে পারে আজ
এসইসির সভায় আলোচনার জন্য নির্ধারিত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে রাষ্ট্রায়ত্ত আট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্ট চুক্তি আজ (সোমবার) সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন পেতে পারে। কমিশনের নিয়মিত সভার আলোচ্যসূচীতে 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কমিশনের অনুমোদনের পর মেয়াদহীন (ওপেন এ্যান্ড) মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী উদ্যোক্তা অংশের অর্থ নিয়ে শীঘ্রই এই তহবিলের কার্যক্রম শুরু হবে।
তহবিলের মূল উদ্যোক্তা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন পেলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। অনুমোদন পাওয়ার পরই ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ শুরম্ন করা সম্ভব হবে। এরপর অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করা হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ফান্ডের মোট আকার হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে আটটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দেড় হাজার কোটি টাকা যোগান দিচ্ছে। ইতোমধ্যেই আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংক ২৫০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দিয়েছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার ৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
সূত্র জানায়, এসইসিতে জমা দেয়া ট্রাস্ট চুক্তির আবেদনে ফান্ডটির জন্য স্থায়ীভাবে এসইসির বার্ষিক ফি মওকুফের প্রসত্মাব করা হয়েছে। ফান্ডের মোট অর্থের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজার এবং বাকি ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফান্ডের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লভ্যাংশ করমুক্ত রাখা, সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ৫ শতাংশ ইসু্য মূল্যে বরাদ্দ রাখার প্রসত্মাব করা হয়েছে।
সিকিউরটিজি এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (মিউচু্যয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর ১১(১) অনুযায়ী এসইসিতে নিবন্ধিত প্রত্যেক মিউচু্যয়াল ফান্ডকে প্রতি বছর মোট তহবিলের ০.১ শতাংশ হারে এসইসির বার্ষিক ফি পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশ ফান্ডের মোট আকার ৫ হাজার কোটি টাকায় সীমিত থাকলেও প্রতিবছর এসইসিকে ৫ কোটি টাকা ফি প্রদান করতে হবে। বড় অঙ্কের এই ফি মওকুফ করা হলে বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করা সহজ হবে বলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তারা মনে করে।
একইভাবে সংশিস্নষ্ট বিধিমালার ৫৫(২) ধারা অনুযায়ী মিউচু্যয়াল ফান্ডের মোট অর্থের কমপৰে ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা বাধ্যতামূলক। এৰেত্রে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগযোগ্য অর্থের কমপৰে অর্ধেক তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ফান্ডের উদ্যোক্তারা মোট অর্ধেক মুদ্রবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে। এৰেত্রেও সংশিস্নষ্ট বিধি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এসইসি চাইলে বিশেষ ৰমতা (২সিসি) ব্যবহার করে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য এসব সুবিধা প্রদান করতে পারে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
অন্যদিকে ফান্ডের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লভ্যাংশ করমুক্ত রাখা এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ করার বিষয়টি এসইসির এখতিয়ারের বাইরে। কর সংক্রানত্ম বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সিদ্ধানত্ম নিতে পারে। অন্যদিকে সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বরাদ্দের বিষয়ে সরাসরি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধানত্মের বিষয়। এছাড়া বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের সুযোগ দিতে হলেও এ সংক্রানত্ম বিধিমালা সংশোধন করতে হবে। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (্পাবলিক ইসু্য) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী নতুন আসা কোম্পানির আইপিওর জন্য নির্ধারিত মোট শেয়ারের ১০ শতাংশ মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রাখতে হয়। এৰেত্রে এসইসিতে নিবন্ধিত সকল মিউচু্যয়াল ফান্ডের আবেদনের ভিত্তিতে এসব শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী একটি মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ রাখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ফান্ডকে এই সুবিধা দিতে হলে সংশিস্নষ্ট বিধিমালা সংশোধন করতে হবে। তবে পুঁজিবাজারের স্বার্থে এসইসি বিশেষ ৰমতা প্রয়োগ করে কয়েকটি ৰেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদানসহ বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন করা হতে পারে। সরকারের দিক থেকে সিদ্ধানত্ম নেয়ার পর ফান্ডের কাগজপত্রের সঙ্গে বাকি সুবিধাগুলো সংযোজন করে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। |
|
|
| 04/18/2011 5:49 am |
 NEWBIE

Regist.: 04/17/2011 Topics: 0 Posts: 2
 OFFLINE | We r still in a confused situation....aren't we???????? |
|
|