| 03/06/2011 9:29 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল
ঢাকা, ০৬ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ফান্ড নামে একটি ওপেন এন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফান্ডের প্রাথমিক আকার ধরা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। তবে পরিবর্তিত এ ফান্ডের আকার বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। রোববার ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কার্যালয়ে রাষ্ট্রায়ত্ব ৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান। আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন জনতা, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ব্যাংক, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
বৈঠক শেষে ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ফান্ডের মোট আকারের ৫০ শতাংশ মানি মার্কেটে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। যেহেতু এটি একটি আপদকালীন ফান্ড তাই সরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে ফান্ড পরিচালনায় আলাদা সুযোগ দিতে হবে। আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ এক সপ্তাহের মধ্যে স্পন্সরে অংশ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরই এটি অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এ ফান্ডটি গঠন করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এ ফান্ডটি বাজার স্বাভাবিক করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে ফান্ডটির কার্যক্রম শুরু না হওয়া পর্যন্ত আইসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয় অব্যাহত রাখবে। এ ফান্ডের মোট আকারের ১০ শতাংশ আইসিবি বিনিয়োগ করবে। এছাড়া ফান্ডের ৫ শতাংশ আইপিওতে ছাড়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এজন্য এসইসির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যেসব বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক পুঁজিবাজার থেকে লভ্যাংশ তুলে নিয়েছে তাদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে পুঁজিবাজারে পুনঃবিনিয়োগ করা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৩.৫৯ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/06/2011 9:40 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন প্রক্রিয়া শুরু
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজারের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তহবিলের নাম হবে ‘বাংলাদেশ ফান্ড’।
রোববার সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সঙ্গে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, বিডিবিএলসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তহবিল গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান এ তথ্য জানান।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, তহবিলটি একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড হবে, তবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। এ ফান্ড থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্তটি আইসিবিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বোর্ড মিটিংয়ে চূড়ান্ত করা হবে।
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) থেকে এ ব্যাপারে অনুমোদন নেওয়া হবে। এসইসির অনুমোদক্রমে এ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাজারে বিনিয়োগ করা যাবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও এ তহবিলে অংশ নেবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৮ ঘণ্টা, মার্চ ৬, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/06/2011 12:27 pm |
 Senior Member

Regist.: 01/09/2011 Topics: 0 Posts: 48
 OFFLINE | + টাকার পরিমাণ আরওৃ বাড়বে ...।
১.... সব শেয়ার এ বছর আনুমানিক ৪০০০০ কোটি টাকা লাভ করেছে ,তার কিছু টাকা আমরা পাব...।
২.... যারা শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে তারা কি এই টাকা খেয়ে ফেলবে...!. না তারা আবার ইনভেস্ট করবে..
৩....আবার যারা এই মার্কেট এ ধরা খেয়েছে এবং নতুন কিছু বিনিয়োগকারীরা বাড়ি থেকে কিছু টাকা নিয়ে আসবে ...আনুমানিক ৪০০০/৫০০০ কোটি টাকা ...।
৪....মা্চেন্ট ব্যাংক গুলি তাদের ৭% বিনিয়োগ করবে....৮টি বাদে..।
৫...গেম্বলার ভাই রা লোভ সামলাতে পারবে না... তারাও আসবে...।
তাহলে দেখা যাই ......৫০০০+১০০০০+৫০০০+৪০০০+৮০০০+১০০০০=৪২০০০ কোটি টাকা আগামী ২/৩ মাসে ডুকবে....। |
................ name:Adv.sk.kabirul islam sagor.
Email:kingkabir001@yahoo.com
khulna.
|
| 03/06/2011 1:17 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে ॥ ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল
আট প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে 'বাংলাদেশ ফান্ড'
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
০৭.০৩.২০১১
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠন করা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পরিচালনা পর্ষদ সভায় এই তহবিল অনুমোদন করা হবে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন নিয়ে পুঁজিবাজারে এই তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ করা হবে। রবিবার তহবিল গঠনের বিষয়ে ৮ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের যৌথ বৈঠক শেষে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ফায়েকুজ্জামান বলেন, তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা হবে আইসিবি। প্রতিষ্ঠানটি মোট তহবিলের ১০ শতাংশ অর্থ যোগান দেবে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এছাড়া প্রাথমিকভাবে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। এছাড়া বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনও এই তহবিলে বিনিয়োগ করবে। পাশাপাশি অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও ফান্ড গঠনে অংশ নিতে পারবে।
সূত্র জানায়, মোট তহবিলের ৫ শতাংশ বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওতে প্রাথমিক শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এৰেত্রে ভবিষ্যতে যেসব সরকারী প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসবে সেগুলোর নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার অভিহিত মূল্যে এই মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রসত্মাব করা হবে। এজন্য এসইসির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বড় আকারের এই তহবিল কার্যকর হলে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, তহবিল অনুমোদনের জন্য এ সপ্তাহের মধ্যে আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদও তহবিলে অর্থ যোগান দেয়ার প্রসত্মাব অনুমোদন করবে। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদনের পরপরই তহবিলটি বাজারে আসবে।
তিনি জানান, বিশেষ তহবিল গঠনের জন্য সংসদে আইন পাসের জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা এড়াতেই মেয়াদহীন মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। তহবিলের আয়কে করমুক্ত রাখার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হবে।
আইসিবির এমডি আরও জানান, বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে বিনিয়োগ শুরম্ন না হওয়া পর্যনত্ম আইসিবিসহ সংশিস্নষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার ক্রয় অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, যেসব বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক পুঁজিবাজার থেকে লভ্যাংশ তুলে নিয়েছে তাদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুঁজিবাজারে পুনর্বিনিয়োগ করা।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫০ কোটি ইউনিটে বিভক্ত 'বাংলাদেশ ফান্ডের' প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা এবং ১০০০ ইউনিটে এক মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য 'বাংলাদেশ ফান্ডের' মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করা হবে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার ও মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের ৰেত্রে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে যে কোন সময় এই তহবিল থেকে নির্ধারিত সুদে ঋণ নিতে পারবে। শেয়ার বিক্রি বা অন্য উৎস থেকে অর্থ পাওয়ার পর পুনরায় তহবিলে টাকা ফেরত দেবে। একটি স্থায়ী তহবিল হিসেবে এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তহবিলে অর্থ যোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বার্ষিক ভিত্তিতে নির্ধারিত হারে মুনাফা পাবে।
উলেস্নখ্য, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত ১৫ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আইসিবি এবং সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে যত বেশি সম্ভব বিনিয়োগ করতে বলা হয়। সরকারের এই নির্দেশের পর ওইদিন থেকেই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুঁজিবাজারে অধিকতর সক্রিয় হয়ে ওঠে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দু'দফায় আইসিবিকে ৬০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দেয়া হয়। তবে গত দু'বছরে পুঁজিবাজার যে হারে বিসত্মৃত হয়েছে তাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমিত তহবিল দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল চূড়ানত্ম করা হলো। এর আগে তারল্য সঙ্কট কাটাতে প্রক্রিয়াধীন ১১টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের মোট ৪০০ কোটি টাকা এখনই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় এসইসি।
এদিকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে তহবিল গঠনের পাশাপাশি সরকারের দিক থেকে নানামুখী পদৰেপ নেয়া হয়েছে। গত দু'তিন মাসে শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট সরকারী সিদ্ধানত্মগুলো বাসত্মবায়নে ইতোমধ্যেই আট সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার স্বার্থে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা শিথিল করার বিষয়ে ইতিবাচক পদৰেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়িয়ে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এলআরআর ও সিআরআর কমানোর বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/06/2011 8:45 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের সংকট উত্তরণে বৈঠকপাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠ
০৭.০৩.২০১১
শেয়ারবাজারের বিদ্যমান সংকট উত্তরণের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই তহবিলের নাম 'বাংলাদেশ ফান্ড'। গতকাল রবিবার ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক থেকে এ ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে রাষ্ট্রায়াত্ত জনতা, সোনালী, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংক; সাধারণ বীমা করপোরেশন, জীবন বীমা করপোরেশন ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক শেষে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, 'শেয়ারবাজারের চলমান সংকট উত্তরণের জন্য সরকারের পরামর্শে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি ফান্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফান্ডের মোট আকারের ৫০ শতাংশ মানি মার্কেটে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে।'
মো. ফায়েকুজ্জামান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, 'যেহেতু এটি একটি আপদকালীন ফান্ড, সেহেতু সরকার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) ফান্ডটি পরিচালনায় আলাদা সুযোগ দেবে।'
মো. ফায়েকুজ্জামান জানান, আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ এক সপ্তাহের মধ্যে স্পন্সর অংশ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরই এটি অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
এ ফান্ডের মোট আকারের ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা আইসিবি বিনিয়োগ করবে। এ ছাড়া ফান্ড থেকে পাঁচ শতাংশ বিভিন্ন কম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ফায়েকুজ্জামান বলেন, 'সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এ ফান্ড গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে।'
তিনি আরো জানান, এটি একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়্যাল ফান্ড। সে কারণে এটা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হয়েও লেনদেন করতে পারবে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাগবে। বিশেষ ধরনের ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) এই ফান্ডের লেনদেন হবে। আইসিবির অনুমোদিত বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্রোকারেজ হাউসে এই ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০০ টাকা ফেসভ্যালুর প্রতিটি ইউনিটের মার্কেট লট ধরা হয়েছে ১০০০টি। এই ফান্ডের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকবে আইসিবি। কো-স্পন্সর হিসেবে থাকবে সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালি ব্যাংক; বিডিবিএল, সাধারণ বীমা, জীবন বীমা, বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন।
এ ছাড়া বেসরকারি খাতের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ২৩টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বীমা কম্পানিগুলো, ২৮টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ৩০টি মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানিগুলো এবং সরকারের পেনশন ও প্রভিডেন্ড ফান্ড থেকে বাংলাদেশ ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রস্তাবে পাঁচ হাজার কোটি টাকার মধ্যে আইসিবি ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা জোগান দেবে। কো-স্পন্সরদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ২৩টি বেসরকারি ব্যাংক এক হাজার ১৫০ কোটি, প্রতিটি বীমা কম্পানি ৫০ কোটি, ২৮টি নন-ব্যাংকিং ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান ২৮০ কোটি, ৩০টি মার্চেন্ট ব্যাংক ৩০০ কোটি, প্রতিটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানি ১০ কোটি, পেনশন ও প্রভিডেন্ড ফান্ড থেকে এক হাজার কোটি টাকা নিয়ে মোট পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই ফান্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই ফান্ডের ট্রাস্টি হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কাজ করবে। কো-ট্রাস্টি হিসেবে সব কো-স্পন্সর থাকবে। এই ফান্ডের লভ্যাংশকে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফান্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে ১০ বছর। তবে পরবর্তী সময়ে তা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
কো-স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন লাভের পর এ ফান্ড গঠন সম্পন্ন করা হবে বলে জানান ফায়েকুজ্জামান।
এ ক্ষেত্রে তিনি বলেন, এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। পুঁজিবাজারকে সহযোগিতা দেওয়ার জন্যই এ ফান্ডটি গঠন করা হচ্ছে। এ ফান্ডটি পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবে। তবে ফান্ডটির কার্যক্রম শুরু না হওয়া পর্যন্ত আইসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে আগের ঘোষণা অনুযায়ী পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয় অব্যাহত রাখবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/06/2011 8:58 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফান্ড হচ্ছে
সমকাল প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সামাল দিতে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের পরিকল্পনা করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল রাষ্ট্রায়ত্ত অপর সাত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ফান্ডটি শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। গত সপ্তাহে আইসিবির নেতৃত্বে এ বিশেষ তহবিল গঠনের কথা বলেছিলেন তিনি। ফায়েকুজ্জামান জানান, ফান্ডটি গঠন হওয়ার আগ পর্যন্ত আইসিবি নিজস্ব বিনিয়োগ তহবিল থেকে শেয়ারবাজারকে সহায়তা দিয়ে যাবে। তবে যৌথ বিশেষ বিনিয়োগ ফান্ড করা হবে না। নতুন এ ফান্ড গঠনের ঘোষণায় ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে। গতকাল এ ফান্ড গঠনের কথা শেয়ারবাজারে ছড়িয়ে পড়লে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবারের
তুলনায় ডিএসই সাধারণ সূচক ১০৮ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে লেনদেন শেষ হয় ৫৫৩৬ দশমিক ৯১ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২১২টিরই দর বাড়ে, কমে ৩৭টির ও অপরিবর্তিত থাকে ৩টির দর।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ফান্ডটি হবে ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল। সরাসরি ম্যানেজারের অফিস থেকে নগদ মূল্যে ফান্ড ইউনিট ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। তিনি আরও জানান, ফান্ডের ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা স্পন্সর করবে আইসিবি। বাকি টাকার বড় অংশের জোগান দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা কোম্পানি জীবন বীমা করপোরেশন ও সাধারণ বীমা করপোরেশন, রাষ্ট্রায়ত্ত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। ফায়েকুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেসরকারি ব্যাংক, বীমা বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে এ ফান্ডের সহযোগী স্পন্সর হওয়ার আহ্বান জানানো হবে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কেবল বর্তমান প্রেক্ষাপটের জন্য নয়, বরং বাজারের যেকোনো সময়ের অস্থিতিশীল অবস্থা মোকাবেলার জন্য এ ফান্ড ব্যবহার করা যাবে। তিনি জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যে আইসিবি পরিচালনা পর্ষদে এ বিষয়ে অনুমোদন নেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে অপর রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদে এ বিষয়ে তহবিল অনুমোদন করিয়ে নেবে। তবে এ ফান্ডে অপর উলি্লখিত রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের পরিমাণ কত হবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি তিনি। ফায়েকুজ্জামান বলেন, আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও এ ধরনের ফান্ড গঠনের জন্য সরকারের অনুমোদন লাগবে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই মিউচুয়াল ফান্ডের ৫০ শতাংশ শেয়ারবাজার এবং বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ-বাজারে বিনিয়োগ করা হবে। এছাড়া ফান্ডটিকে আকর্ষণীয় করার জন্য সরকার ঘোষিত ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হলে সেগুলোর আইপিওর ১০ শতাংশ শেয়ার অভিহিত মূল্যে বিশেষ কোটায় বরাদ্দ রাখা, অন্য যেকোনো আইপিওর অন্তত পাঁচ শতাংশ এ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা, ফান্ডের মুনাফা ও ডিভিডেন্টের ওপর আয়কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হবে এসইসি ও সরকারের কাছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|