বাংলাদেশ শেয়ার মার্কেট এবং এর খুঁটিনাটি > সংবাদ > সংবাদপত্র/ওয়েব সাইট
বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে এসইসির আহ্বান
Page 1 / 1
বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে এসইসির আহ্বান
01/17/2011 2:40 pm

Administrator
Forum Addict


Regist.: 01/16/2011
Topics: 77
Posts: 29
OFFLINE
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক মন্দাবস্থা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগের পাশাপাশি মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে এসইসি। সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি বৈঠকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বাজার সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু'দফায় বৈঠক করেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাজারে নিম্নমুখী ধারা শুরু হলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ার বিক্রির চাপ কমাতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানকে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এই আতঙ্ক দূর করার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অপরিণত আচরণ করছে বলে কমিশন মনে করছে। বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানও বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক। তারা বলেন, বড় দরপতনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বাজারের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্য দিয়ে বাজারে ভারসাম্য তৈরি হবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করার ক্ষেত্রেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হলে বাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা তৈরি হবে। এতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পৃথক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ায় ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণের পদ্ধতি কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে একক গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত ঋণসীমা সংক্রান্ত নির্দেশনা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের জন্য শিথিল করা হলে মার্জিন ঋণ বাড়ানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা সহজ হবে।
তবে কোনো কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে বাজারে তারল্য সক্সকট অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়েছে। কিন্তু বাজারে মন্দা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় গ্রাহকরা ঋণ নিয়ে শেয়ার কেনায় উৎসাহিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ বাড়ানোর পর গ্রাহকরা সেখান থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তারল্য সংকট দূর করার বিষয়ে এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য সমস্যা দূর করতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কলমানি সুদের হার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা ধার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একক গ্রাহকের ঋণসীমার শর্ত শিথিল করা হয়েছে।




Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview