| 03/21/2011 9:16 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বুক বিল্ডিং পদ্ধতি চূড়ান্ত হচ্ছে ২৮ মার্চ
ঢাকা, ২১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া সংশোধনী চূড়ান্ত হবে আগামী ২৮ মার্চ। ওইদিন এ নিয়ে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রস্তাব যাচাইয়ের পর নিজেদের প্রস্তাব পেশ করবেন স্টেক হোল্ডাররা। আলোচনার পর তা চূড়ান্ত হবে। আজ সোমবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে এসইসিতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন বিএপিএলসি'র সভাপতি সালমান এফ রহমান।
তিনি বলেন, এ পদ্ধতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ। এটি কিভাবে নির্ধারণ করা হবে সে বিষয়টি আরো পর্যালোচনার প্রয়োজন। এছাড়া কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন কিভাবে যাচাই ও শেয়ারের ইস্যু মূল্য বাজারে আসার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ এসোসিয়েশন (বিএপিএলসি), মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং কমিটি এসইসির প্রস্তাব যাচাই করবে। এরপর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডাররা নিজেদের প্রস্তাব ২৮ মার্চ উপস্থাপন করবে এবং সেদিনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করতে সোমবার সকাল ১১টায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এসইসি। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন এসইসির সদস্য মো. ইয়াসিন আলী, মো. আনিসুজ্জামান, বিএপিএলসি'র সভাপতি সালমান এফ রহমান, বিএমবিএ'র সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিসহ এসইসির নির্বাহি পরিচালকরা। বৈঠকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া বিষয়ে এসইসির প্রস্তাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জানা গেছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবিত সংশোধনে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ও পিই রেশিও (মূল্য আয় অনুপাত) বেঁধে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন হলে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোনো কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। একইসঙ্গে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ার প্রতি এনএভির ৫ গুণের নিচে থাকতে হবে।
এছাড়া মূল্য নির্ধারণে কোম্পানির তিন বছরের আয়ের গড়ের ভিত্তিতে পিই নির্ধারিত হবে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে রোড শো' আয়োজনের কমপক্ষে ৫ দিন আগে কোম্পানির বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) খসড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনোভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোনো প্রস্তাব করা যাবে না। এছাড়া কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি থাকতে পারবেন না বলে খসড়া প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কমিশনের প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৪.২১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/21/2011 9:43 pm |
 Cool Senior Member

Regist.: 01/17/2011 Topics: 1 Posts: 54
 OFFLINE | gud |
|
|