| 03/11/2011 12:31 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বুক বিল্ডিং আইনের খসড়া তৈরি
আনোয়ার ইব্রাহীম
সমকাল
১১-০৩-২০১১
আলোচনা ছাড়াই বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আইনের সংশোধিত খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। খসড়াটি মতামতের জন্য গত বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রস্তাবে নির্দেশক মূল্যকে (প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাবিত শেয়ার মূল্য) প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, এক্ষেত্রে নির্দেশক মূল্য কোনোক্রমেই ১৫ মূল্য আয় অনুপাতের (পিই-রেশিও) বেশি না হওয়া শর্ত আরোপ করা হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র আরও জানায়, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংশোধনী প্রস্তাব ফেরত দিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে খসড়া করার জন্য এসইসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান খন্দকার মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়য়ে খসড়া পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন। এসইসি নিজে একটি প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত করেছে মাত্র। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করা হবে। এসইসির খসড়া সংশোধনী বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রস্তাবে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ ও কোম্পানির আর্থিক হিসাবের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে নির্দেশক মূল্যের ক্ষেত্রে ১৫ পিই অনুপাতের শর্ত আরোপ করা বা না করার পক্ষে-বিপক্ষে মত দিয়েছেন বাজার বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা। যোগাযোগ করা হলে এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সম্ভবত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ার দর অতিমূল্যায়িত হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এসইসি এমন শর্ত আরোপ করতে যাচ্ছে। 'বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে মূলত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা রয়েছে' এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, পিই-রেশিও এক্ষেত্রে একটি বড় ফ্যাক্টর হলেও সবকিছু নয়। এসইসির উচিত, নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনোভাবে কারসাজি না হয় সে বিষয়ে জোর দেওয়া।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, পিই-রেশিও কোনো কোম্পানির মূল্য নির্ধারণের প্রধান নির্দেশক নয়। তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, এক্ষেত্রে আইপিও প্রক্রিয়ায় আসার আগেই কোম্পানি আয়-ব্যয়ের হিসাবে গরমিল করে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বাড়িয়ে পিই অনুপাত কমানোর মতো জালিয়াতি করতে পারে। তবে যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য পিই অনুপাতের শর্ত রাখার পক্ষে মত দেন তিনি। শাকিল রিজভী বলেন, পিই-রেশিওর পাশাপাশি নির্দেশক মূল্য কোনোক্রমে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্যে (এনএভি) তিনগুণ বা চারগুণের বেশি হতে পারবে না এমন শর্ত যোগ করা উচিত। এক্ষেত্রে আরও শর্ত হিসাবে উভয় মূল্যের মধ্যে যে মূল্যটি সবচেয়ে কম হতে পারে সে মূল্যই অনুমোদন করতে পারে এসইসি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমেদ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক মূল্য আয় অনুপাত সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে বিরোধিতা করেন। তিনি মনে করেন, পিই অনুপাত নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির ধারণা পাল্টে যাবে। সিএসই সভাপতি বলেন, অনেক পুরনো, অত্যধিক সম্পদ, সুনাম ও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায় রয়েছে এমন কোম্পানির ইপিএস কম হওয়া সত্ত্বেও এনএভি বেশি হতে পারে। কোম্পানি হয়তো সরকারের ট্যাক্স কমানোর জন্য সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করছে না। এই কোম্পানি কোনোভাবে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রি করতে চাইবে না।
প্রসঙ্গত, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদিত কোম্পানির শেয়ারের ইস্যু মূল্যই অতিমূল্যায়িত হয়ে যাচ্ছে_ এমন ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকারের নির্দেশে গত ২০ জানুয়ারি পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত করে এসইসি। এর আগে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে অস্বচ্ছতার প্রশ্ন ওঠায় গত বছরের ১০ আগস্ট বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন করেছিল এসইসি। মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিকে শেয়ারবাজারমুখী করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২০০৯ সালের ৫ মার্চ পাবলিক ইস্যু রুলস, ২০০৬-এর সংশোধন করে দেশের শেয়ারবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রচলন করে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/14/2011 4:42 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | বুক বিল্ডিং নিয়মে পরিবর্তনের সুপারিশ
নির্দেশক মূল্যের সীমারেখা থাকবে
হাসান ইমাম | তারিখ: ১৫-০৩-২০১১ প্রথম আলো
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এখন থেকে এ পদ্ধতিতে বাজারে আসা কোনো কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত এবং শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ-মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পিই ১৫ অথবা এনএভির পাঁচ গুণ—এ দুইয়ের মধ্যে যেটি কম, নির্দেশক মূল্য তার বেশি হতে পারবে না।
আবার এর পরিমাণ শেয়ারপ্রতি এনএভির কমও প্রস্তাব করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পিই গণনা করতে হবে কোম্পানির পূর্ববর্তী তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে উল্লিখিত শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের গড়ের ভিত্তিতে।
যেমন, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের (ফেস ভ্যালু) কোনো কোম্পানির ইপিএস পাঁচ টাকা হলে বেঁধে দেওয়া পিই অনুযায়ী সর্বোচ্চ নির্দেশক দাম হতে পারবে ৭৫ টাকা। আর এনএনভি ২০ টাকা হলে নির্দেশক দাম ১০০ টাকা হতে পারবে।
কিন্তু এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত দাম ৭৫ টাকার মধ্যেই থাকতে হবে। কেননা পিই অনুযায়ী নির্দেশক দাম এনএভি অনুযায়ী নির্দেশক দামের চেয়ে কম। একই সঙ্গে তা ২০ টাকার নিচেও নামতে পারবে না। কেননা, এখানে এনএভি হলো ২০ টাকা।
বর্তমান নিয়মে নির্দেশক মূল্যের জন্য কোনো ধরনের সীমারেখা টানা নেই।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সম্প্রতি বুক বিল্ডিং আইনের সংশোধনের সুপারিশের খসড়া অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে প্রেরণ করেছে।
দেশের শেয়ারবাজারে ধসের পর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ করা হয়, এ পদ্ধতির অপব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কোম্পানি মৌলভিত্তির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ বাজার থেকে তুলে নিয়েছে। তাই কোম্পানিগুলোর শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজারে আসার আগেই অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পড়ছেন আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে।
এ অবস্থায় গত ২০ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করে আইনে সংশোধনীর খসড়া তৈরি করে এসইসি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এটি চূড়ান্ত করা হবে।
সংশোধনীর খসড়ায় আইপিওতে আসতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর এসইসির কাছে জমা দেওয়া নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি), দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। কোম্পানির সঙ্গে কোনো ধরনের স্বার্থসংশ্লিষ্টতা নেই, এমন ব্যক্তিরাই কেবল কমিটির সদস্য হতে পারবেন। এসইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কমিটিতে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন।
বর্তমানে দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিপরীতে বরাদ্দ করা শেয়ার লেনদেন শুরুর ১৫ দিন পর্যন্ত বিক্রি বা হস্তান্তর নিষিদ্ধ (লকইন) থাকে। এ সময় বাড়িয়ে ৬০ দিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া চূড়ান্ত দরপত্রের পর আইপিওর চাঁদা গ্রহণ (সাবস্ক্রিপশন) ২৫ দিনের পরিবর্তে ১৫ দিনের মধ্যে শুরু করতে হবে। দরপত্রের সময় ৭২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৪৮ ঘণ্টা করার কথা বলা হয়েছে। আর দরপত্র গ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি ও ইস্যু ব্যবস্থাপককে আইপিওর জন্য শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্যসহ (কাট অব প্রাইস) চূড়ান্ত খসড়া প্রসপেক্টাস এসইসিতে জমা দিতে হবে।
এর আগে মুদ্রিত প্রাথমিক খসড়া প্রসপেক্টাস মনোনীত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সমিতির কাছে রোড শো আয়োজনের অন্তত পাঁচদিন পূর্বে প্রেরণ করতে হবে। এতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য উল্লেখ করা যাবে না।
যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছে খসড়া প্রসপেক্টাস পাঠাতে হবে সেগুলো হলো: মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন, ডিএসই, সিএসই, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ) ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন।
নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, কোম্পানিটির কোনো সহযোগী বা অঙ্গপ্রতিষ্ঠান অথবা পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে না। |
|
|
| 03/16/2011 6:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার চূড়ান্ত পর্যায়ে
আগামী সোমবার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে এসইসির বৈঠক
বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০১১
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বিদ্যমান নিয়মের বড় ধরনের সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনের প্রসত্মাব অনুযায়ী এ সংক্রানত্ম আইন সংশোধন হলে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সেৰেত্রে লেনদেন শুরম্নর আগে কোন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। একইসঙ্গে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ারপ্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে থাকতে হবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সংস্কারের লৰ্যে পাবলিক ইসু্য বিধিমালা, ২০০৬-এর প্রসত্মাবিত সংশোধনীর বিষয়ে মতামত গ্রহণের জন্য আগামী সোমবার পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন পৰের সঙ্গে বৈঠকে বসছে এসইসি। ওই বৈঠকের পর কমিশনের পৰ থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সংস্কারের চূড়ানত্ম প্রসত্মাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়ার পরই আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির প্রসত্মাবে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের সর্বোচ্চ সীমার পাশাপাশি নূ্যনতম মূল্য নিশ্চিত করার ওপরও গুরম্নত্ব দেয়া হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান সংশিস্নষ্ট কোম্পানির এনএভির কম নির্দেশক মূল্য প্রসত্মাব করতে পারবে না। আর মূল্য নির্ধারণে কোম্পানির তিন বছরের আয়ের গড়ের ভিত্তিতে পিই নির্ধারিত হবে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে রোড শো' আয়োজনের কমপৰে ৫ দিন আগে কোম্পানির বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) খসড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোন প্রসত্মাব করা যাবে না। কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশিস্নষ্ট কোন ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
কমিশনের প্রসত্মাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। দর প্রসত্মাব প্রক্রিয়ার সময়সীমা তিন দিনের পরিবর্তে দু'দিন করার কথা বলা হয়েছে। দর প্রসত্মাবের মাধ্যমে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের দু'দিনের মধ্যে আইপিও বিবরণী (প্রসপেক্টাস) এসইসিতে জমা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরম্নর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হবে। বর্তমানে দর প্রসত্মাবের পর ২৫ দিনের মধ্যে আইপিওর টাকা জমা নিতে হয়।
উলেস্নখ্য, দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন।
বিশেস্নষকদের মতে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরম্নর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে। অতি মূল্যায়িত হিসেবে এসইসি বর্তমানে কোন শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের অনুপাত ৪০-এর বেশি হলে মার্জিন ঋণ দেয়া নিষিদ্ধ করে রেখেছে। অথচ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসা সব কোম্পানিই পিই অনুপাত ৪০-এর উপরে থেকে লেনদেন শুরম্ন করে। এই পদ্ধতি প্রথম মূল্য নির্ধারণ হয় ওশন কন্টেইনারের। ২০০৯ সালে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৪৫ টাকা। ফলে লেনদেন শুরম্নর আগেই প্রতিটি শেয়ারের দর এর প্রকৃত আয়ের তুলনায় ৬০ গুণ বেশি নির্ধারিত হয় খুলনা পাওয়ারের ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। এই কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৯৪ টাকা। ফলে লেনদেনের শুরম্নতেই খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের পিই দাঁড়ায় ৬৯। বর্তমানে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২। সর্বশেষ অনুমোদন পাওয়া ইউনিক হোটেলস এ্যান্ড রিসোর্টসের ইপিএস ৪ টাকা ৮০ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ধরা হয়েছে ১৮৫ টাকা। ফলে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের আগেই ইউনিকের পিই দাঁড়াচ্ছে ৩৮.৫০।
সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেৰাপটে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থ সঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রসত্মাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রসত্মাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন। এর ভিত্তিতে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। |
|
|
| 03/16/2011 6:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ার বাজার: বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে এসইসির চূড়ান্ত আলোচনা ২১ মার্চ
--------------------------------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে আগামী ২১ মার্চ সোমবার বৈঠকে বসবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত প্রস্তাব তৈরি করা হবে। পরে এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
জানা যায়, এরই মধ্যে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রান্ত আইনের সংস্কার করে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে। প্রস্তাবে কোম্পানির গড় পিই রেশিও (মূল্য আয় অনুপাত) রাখা হয়েছে ১৫। এর ফলে কোম্পানিগুলো শেয়ার দর বাড়িয়ে বাজারে আসতে পারবে না। কারণ শেয়ার দর অতিমূল্যায়িত হলে পিই বেড়ে যাবে।
কিন্তু নতুন আইনে পিই ১৫’র বেশি হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। পিই ১৫ এবং এনএভির ৫ গুণের মধ্যে যেটি কম হবে নির্দেশক মূল্য তার চেয়ে বেশি হতে পারবে না।
এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওতে আগ্রহী কোম্পানির এসইসির কাছে জমা দেওয়া নিরীতি আর্থিক বিবরণ- পরীা নিরীার জন্যএকটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান প্রস্তাবে বিডিং পক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিপরীতে বরাদ্দকৃত শেয়ারের বিক্রির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন, চূড়ান্ত বিডিয়েংর পর আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা গ্রহণ ২৫ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিডিংয়ের সময় ৩ দিনের পরিবর্তে ২ দিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আগামী ২১ মার্চ বৈঠকে এসব সংস্কারের ব্যাপারে ডিএসই ও সিএসইর কর্মকর্তাদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ঘণ্টা, মার্চ ১৬, ২০১১
|
|
|