Page 1 / 1
ক্ষুদ্র বিনিয়োগ কারী গনের দাবীসমুহ
01/17/2011 6:53 am

Administrator
Forum Addict


Regist.: 01/16/2011
Topics: 77
Posts: 29
OFFLINE
প্রিয় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম, আজ আমরা এক গভীর সংকটে নিপতিত। আমাদের বিনিয়োগকৃত টাকা নিয়ে ডিএসই, এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ছিনিমিনি খেলা করে যাচ্ছে। সমস্ত নিয়ম কানুন,সার্কুলার আমাদের বিপক্ষে তৈরি করা হচ্ছে। বড় বড় রুই কাতলাদের আমাদের টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। গতকাল পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে আমাদের নির্দয় ভাবে পেটানো হয়েছে। আমাদ...ের বিনিয়োগের কোন নিরাপত্তা নেই। জোর করে বাজার নিম্নমুখী করা হচ্ছে। অথচ এসইসির জারী করা সার্কুলার অনুযায়ী মার্জিন লোন আমাদেরকে দেয়া হচ্ছে না। মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকার হাউজ, ব্যাংকগুলো আমাদের লোন না দিয়ে সুচক নামিয়ে নিজেরা শেয়ার কেনার পাঁয়তা্রা করছে। আমরা অসহায়ের মত তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায়না। আমাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা হাতিয়ে নেবে, আর রাস্তায় নামলে পেটানো হবে। আমরা আর কত সহ্য করবো? ১৯৯৬ সালে আমাদের এভাবে পথে বসানো হয়েছে, ২০১১ সালে আবার সেই অবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। তাই আমাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তার জন্য নিম্নলিখিত দাবী উত্থাপন করছি। আসুন আমরা আমাদের দাবীর পক্ষে জনমত গড়ে তুলি। ১। সমস্ত মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউজ থেকে আমাদেরকে অবিলম্বে ১:২ (প্রতি এক টাকার বিপরীতে ২ টাকা)হারে ঋণ দিতে হবে। ২। সকল প্রকার ইনসাইডার ট্রেডিং বন্ধ করতে হবে। ৩। মার্চেন্ট ব্যাংক এবং মিউচুয়াল ফান্ডসমুহের পোর্টফোলিও বাজারে বিক্রয়ের ৩ দিন আগে শেয়ারের নাম ও সংখ্যা জানাতে হবে। ৪। যে সকল কোম্পানী ১০% এর কম লভ্যাংশ দেবে তাদের পুঁজিবাজার থেকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং প্রত্যাহারের সাথে সাথে বাজারের সকল শেয়ার পুর্ববর্তী দিনের সর্ব শেষ বাজার মুল্য অনুযায়ী ঐ কম্পানী কে কিনে নিতে হবে। ৫। বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগ নিরাপত্তা তহবিল গঠন করতে হবে। ৬। শীঘ্রই ফিউচার্স ট্রেডিং ও অপশনস ট্রেডিং চালু করতে হবে। ৭। অনলাইন ট্রেডিং চালু করতে হবে। ৮। কোন কোম্পানীর মোট লাভের ১০% এর বেশী রিজার্ভ ও সারপ্লাস এ দেখানো যাবেনা। ৯। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে শেয়ার কেনার পরবর্তী দিনেই (টি+১) সেটেলমেন্ট করতে হবে। ১০। শেয়ারের পুর্বদিনের বাজার মুল্যের ভিত্তিতে দেয়া সার্কিট ব্রেকার এর পরিবর্তে মূল্য আয় অনুপাত, নীট সম্পদ মুল্য ও শেয়ার প্রতি আয় এর ভিত্তিতে সার্কিট ব্রেকার তৈরি করতে হবে। ১১। বিক্রয়ের পর ক্রয়নীতি বাতিল করতে হবে। ১২। কোন দিন সাধারন মূল্য সূচক ১% অথবা ১০০ পয়েন্ট (যেটি বেশি) এর বেশি কমলে তাৎক্ষনিক লেনদেন বন্ধ করতে হবে। ১৩। তথাকথিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নামে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে হবে। ১৪। সরকারী শেয়ার অবিলম্বে বাজারে ছাড়তে হবে এবং অভিহিত মুল্যে অফার করতে হবে। ১৫। রাইট শেয়ার এবং আইপিও তে প্রিমিয়াম নেয়া বন্ধ করতে হবে। ১৬। ডিএসই, সিএসই এবং এসিসি তে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে। ১৭। এসইসি কর্তৃক কোন সার্কুলার জারীর অন্তত ১ মাস পুর্বে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। ১৮। সকল প্রকার প্রি-প্লেইসমেন্ট বাতিল করতে হবে। ১৯। আইপিও তে সকল প্রকার কোটা বাতিল করে ১০০% ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য অফার করতে হবে। ২০। কোন কোম্পানীর উৎপাদন/কার্যক্রম বন্ধ হবার সাথে সাথে সকল শেয়ার কোম্পানীর নিজস্ব শেয়ার হিসেবে পরিগনিত করে পূর্ববর্তী দিনের বাজার মূল্যে তা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। দ্রষ্টব্যঃ এর সাথে আর কোন দাবী থাকলে আপনারা লিখে জানাতে পারেন। আমাদের পক্ষে এইসব দাবীনামা নিয়ে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিব। আমার এই পয়েন্টসমুহের কোনটিতে আপত্তি থাকলে তাও জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview