 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
২৯ মার্চ ২০১১
ব্যাংকগুলোতে আর নূ্যনতম মূলধন নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এটি করতে হবে। অর্থাৎ সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূলধন কমপৰে ৭শ' কোটি টাকার ওপরে হতে পারে। এ লৰ্যে খুব শীঘ্রই সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইভালুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে সোমবার ৪৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো আর নূ্যনতম মূলধন রাখবে না। পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করার লৰ্যেই এটি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সোমবার তফসিলি ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যাংক টু সংলাপ শুরম্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের নূ্যনতম ৪শ' কোটি টাকা রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী নতুন করে ব্যাংকগুলোকে আবার আরও ৩শ' কোটি টাকা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী মূলধন রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পকের পরিমাণ হতে পারে প্রায় ৭শ' কোটি টাকার ওপরে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন রাখতে হবে ৪শ' কোটি। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলো মূলধন সংগ্রহ করছে। ব্যাসেল-২ প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেসোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংক টু ব্যাংক সংলাপ করতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ সংলাপের নাম দেয়া হয়েছে- সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এ সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করেছে, পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে। এছাড়া এসব ভুল তথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখার নির্দেশ দেয়া হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন। তবে সেটি ৩শ' কোটি টাকার কম হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২ এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টির বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে, নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে।ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকগুলোতে আর নূ্যনতম মূলধন নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এটি করতে হবে। অর্থাৎ সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূলধন কমপৰে ৭শ' কোটি টাকার ওপরে হতে পারে। এ লৰ্যে খুব শীঘ্রই সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইভালুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে সোমবার ৪৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো আর নূ্যনতম মূলধন রাখবে না। পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করার লৰ্যেই এটি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সোমবার তফসিলি ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যাংক টু সংলাপ শুরম্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের নূ্যনতম ৪শ' কোটি টাকা রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী নতুন করে ব্যাংকগুলোকে আবার আরও ৩শ' কোটি টাকা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী মূলধন রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পকের পরিমাণ হতে পারে প্রায় ৭শ' কোটি টাকার ওপরে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন রাখতে হবে ৪শ' কোটি। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলো মূলধন সংগ্রহ করছে। ব্যাসেল-২ প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেসোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংক টু ব্যাংক সংলাপ করতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ সংলাপের নাম দেয়া হয়েছে- সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এ সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করেছে, পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে। এছাড়া এসব ভুল তথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখার নির্দেশ দেয়া হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন। তবে সেটি ৩শ' কোটি টাকার কম হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২ এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টির বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে, নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। |