DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
Page 1 / 1
ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
03/29/2011 8:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২

খায়রুল হোসেন রাজু ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
২৯ মার্চ ২০১১

ব্যাংকগুলোতে আর নূ্যনতম মূলধন নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এটি করতে হবে। অর্থাৎ সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূলধন কমপৰে ৭শ' কোটি টাকার ওপরে হতে পারে। এ লৰ্যে খুব শীঘ্রই সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইভালুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে সোমবার ৪৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো আর নূ্যনতম মূলধন রাখবে না। পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করার লৰ্যেই এটি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সোমবার তফসিলি ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যাংক টু সংলাপ শুরম্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের নূ্যনতম ৪শ' কোটি টাকা রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী নতুন করে ব্যাংকগুলোকে আবার আরও ৩শ' কোটি টাকা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী মূলধন রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পকের পরিমাণ হতে পারে প্রায় ৭শ' কোটি টাকার ওপরে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন রাখতে হবে ৪শ' কোটি। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলো মূলধন সংগ্রহ করছে। ব্যাসেল-২ প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেসোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংক টু ব্যাংক সংলাপ করতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ সংলাপের নাম দেয়া হয়েছে- সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এ সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করেছে, পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে। এছাড়া এসব ভুল তথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখার নির্দেশ দেয়া হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন। তবে সেটি ৩শ' কোটি টাকার কম হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২ এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টির বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে, নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে।ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকগুলোতে আর নূ্যনতম মূলধন নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এটি করতে হবে। অর্থাৎ সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূলধন কমপৰে ৭শ' কোটি টাকার ওপরে হতে পারে। এ লৰ্যে খুব শীঘ্রই সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইভালুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে সোমবার ৪৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো আর নূ্যনতম মূলধন রাখবে না। পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করার লৰ্যেই এটি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সোমবার তফসিলি ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যাংক টু সংলাপ শুরম্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের নূ্যনতম ৪শ' কোটি টাকা রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী নতুন করে ব্যাংকগুলোকে আবার আরও ৩শ' কোটি টাকা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী মূলধন রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পকের পরিমাণ হতে পারে প্রায় ৭শ' কোটি টাকার ওপরে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন রাখতে হবে ৪শ' কোটি। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলো মূলধন সংগ্রহ করছে। ব্যাসেল-২ প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেসোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংক টু ব্যাংক সংলাপ করতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ সংলাপের নাম দেয়া হয়েছে- সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এ সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করেছে, পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে। এছাড়া এসব ভুল তথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখার নির্দেশ দেয়া হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন। তবে সেটি ৩শ' কোটি টাকার কম হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২ এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টির বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে, নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/29/2011 1:43 pm

Cool Senior Member


Regist.: 01/17/2011
Topics: 1
Posts: 54
OFFLINE
good
Quote   
03/29/2011 4:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
মূলধনের শর্ত পূরণে রাইট শেয়ার ইস্যু করতে পারে ব্যাংকগুলো


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধনের শর্ত পূরণের জন্য নতুন করে রাইট শেয়ার ইসু্য করতে পারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য প্রায় প্রতিটি ব্যাংককেই তাদের মূলধনের সীমা বাড়াতে হবে। সেৰেত্রে দু'একটি ব্যাংকের ৰেত্রে শুধু বোনাস ইসু্য করে পর্যাপ্ত মূলধন বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও বাকিগুলোর জন্য রাইট শেয়ার বা বন্ড ইসু্যর বিকল্প থাকবে না বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এখন থেকে আর নূ্যনতম মূলধন বেঁধে দেয়া হবে না। প্রতিটি ব্যাংককেই তার ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। গত সোমবার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলধন ইসু্যতে শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে পর্যাপ্ত মূলধনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।
একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের নূ্যনতম পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা বেঁধে দেয়া হয়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এই সীমা পূরণ করতে হবে। অধিকাংশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের মোট পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পূর্ণ করলেও ৬টি ব্যাংক এখনও এর নিচে রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারি তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তবে শুধু মূলধন হিসেবে নিলে অধিকাংশ ব্যাংকই এখনও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন করতে হলে ব্যাংকগুলোর মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। ফলে সব ব্যাংককেই মূলধন বাড়াতে হবে।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে হলে অবশ্যই রাইট বা বোনাস শেয়ার ইসু্য করতে হবে। এৰেত্রে যেসব ব্যাংকের পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ) রয়েছে, সেসব ব্যাংক এই তহবিলকে মূলধনে রূপানত্মরের জন্য বোনাস ইসু্য করতে পারে। আবার উদ্বৃত্ত তহবিল ঠিক রেখে ব্যাংকগুলো রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারে। আর যেসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেসব ব্যাংকের জন্য রাইট ইসু্যর বিকল্প থাকবে না। তবে মূলধন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে
সরকারী কোম্পানির তালিকাভুক্তি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকারী কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের খসড়া নীতিমালা চূড়ানত্ম এখন পর্যায়ে। মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সম্পদ পুনমর্ূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে নীতিমালার খসড়া চূড়ানত্ম করা হবে বলে সিদ্ধানত্ম হয়েছে। নীতিমালা চূড়ানত্ম হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বৈঠক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, কমিটির প্রধান এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুঁজিবাজারে আসার পর সরকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা কিভাবে বন্টন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বলেন, সরকারী কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু বেসরকারী কোম্পানিতে এ ভাতা দেয়া হয় না। সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিতে এ ধরনের কিছু সুযোগ সুবিধার তারতম্য রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বন্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লৰ্যে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পৰ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালার খসড়া প্রসত্মাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
Quote   
03/29/2011 4:26 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
তারল্য সঙ্কট কাটিয়ে উঠছে ব্যাঙ্কিং খাত
* কলমানির সুদের হার কমে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে
* কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং ও নির্দেশনা অব্যাহত
* ব্যাংকগুলোর হাতে অলস ২২ হাজার কোটি টাকা


খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট কাটতে শুরু করছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে তারল্য ফিরে আসার কারণেই নগদ অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ভয়াবহ তারল্য সঙ্কট ছিল তা স্বাভাবিক হচ্ছে। এতে কলমানির (অনত্মঃব্যাংক লেনদেনের ৰেত্রে ওভার নাইট ধার নেয়া অর্থ) সুদের হার কমে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও নির্দেশনার কারণেই তারল্যের ৰেত্রে এ স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যনত্ম কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ছিল ৬ শতাংশ। যদিও সর্বোচ্চ সুদের হারের স্থর ঠিক থাকলেও কলমানির সর্বনিম্নের সুদের হারে কিছুটা ওঠানামা করেছে। এ ৰেত্রে সর্বনিম্ন ১১ শতাংশ পর্যনত্মও দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত ২৮ মার্চ কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ ছিল ১০ এবং নিম্ন ছিল ৫ শতাংশ। তবে গতকাল মঙ্গলবার কলমানির সুদের হার কমে সর্বনিম্ন ৩ শতাংশে পেঁৗছায়। আর সর্বোচ্চ ছিল ৬ শতাংশ। যেটি ১৯০ শতাংশ থেকে কলমানির সুদের হার কমে গতকাল মাত্র ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংক অব সিলন ৩ শতাংশে ৫ কোটি টাকা ধার করেছে। আর সিটি ব্যাংক এনএ ৩ শতাংশ হার সুদে ৩৮৯ কোটি টাকা ল্যান্ডিং বা ধার দিয়েছে। আর এবি ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ হার সুদে ১৭৬ কোটি টাকা মানি মার্কেট থেকে ধার করেছে। গতকালের কলমানির সুদের হারের চিত্র গত প্রায় ছ'মাসের মধ্যে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকিং খাতে কখনই তেমন তারল্য সঙ্কট ছিল না। যেটি হয়েছিল তা কিছু কিছু ব্যাংকের অব্যবস্থাপনার কারণেই হয়েছে। তবে সেটি কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে সামগ্রিকভাবে সহায়তা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং ও সহযোগিতার ফলেই এখন প্রায় সব ব্যাংকেই যথেষ্ট তারল্য রয়েছে। যার কারণেই মঙ্গলবার কলমানির সুদের হার কমে মাত্র ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানেও ব্যাংকগুলোর হাতে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার ওপরে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। তবে এসব তারল্য ইসলামী ব্যাংকগুলোর হাতে কিছুটা বেশি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারল্য সঙ্কট যে নেই, তা কলমানির পরিস্থিতি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায়। কারণ ১৫৯ শতাংশ থেকে কমে কলমানির সুদের হার গতকাল পর্যনত্ম সর্বোচ্চ ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। আর সর্বনিম্ন ছিল ৩ শতাংশ। এতে প্রমাণিত হয় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট কেটে যাচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, বাজারে তারল্য সঙ্কট বেড়ে যাওয়ার কারণে সম্প্রতি ১৯০ শতাংশ পর্যনত্ম কলমানির সুদের হার বেড়ে যায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বীকার করেছে ১৫৯ শতাংশ। এতে মানি মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কয়েক দফায় কলমানির সুদের হার কমিয়ে সর্বশেষ ১২ শতাংশে নামিয়ে আনে। অর্থাৎ কোন ব্যাংক ১২ শতাংশের বেশি কলমানি থেকে অর্থ লেনদেন করতে পারবে না। কিন্তু সম্প্রতি বেসরকারী খাতের তিনটি ব্যাংক এ নির্দেশনা অমান্য করে ১৬ শতাংশ হার সুদে কলমানি থেকে অর্থ ধার করেছে। যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিহ্নিত করে সংশিস্নষ্ট ব্যাংক তিনটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের শোকজ করা হয়। পাশাপাশি কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১২ শতাংশের ওপরে কলমানি থেকে অর্থ ধার দেয়া বা গ্রহণ করতে পারবে না এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় কলমানির সুদের হার কমতে শুরম্ন করছে। সর্বশেষ গতকাল কলমানির সুদের হার কমে সর্বনিম্ন ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে বেসরকারী ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে তারল্য সঙ্কট নেই বললেই চলে। এখন প্রায় সকল ব্যাংকের হাতে কম বেশি তারল্য রয়েছে। তবে মাঝে কোন কোন ব্যাংকের অতিরিক্ত এলসি খোলা বা বড় বড় এলসি খোলার কারণেও হয়ত কিছুটা তারল্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তবে এখন ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং এবং ব্যাংকগুলোর ম্যানেজমেন্টের দৰতার কারণেই এটি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক তাদের প্রয়োজনে ১৩ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। এতে বাধ্য হয়ে প্রায় সকল ব্যাংকের ডিপোজিট রেট কিছুটা বাড়ানো হয়। কিন্তু এটি বেশিদিন স্থায়ী থাকবে না। তিনি আরও বলেন, ইস্টার্ন ব্যাংকের ডিপোজিট গ্রহণের সুদের হার ১২ শতাংশ। তাই বলে এ ব্যাংক থেকে সকল ডিপোজিট চলে যাবে। সেটি নয়। শুধুমাত্র বেশি সুদের জন্যই গ্রাহকরা ডিপোজিট তুলে নিয়ে অন্য ব্যাংকে যাচ্ছেন না। এখানে ব্যাংকের ব্র্যান্ড, সুনাম এবং ম্যানেজমেন্টের দৰতাসহ একাধিক বিষয় দেখা হচ্ছে।
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview